ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্যকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় না বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা।


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২০ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোনো প্রভাব দেশের খাদ্য পরিস্থিতির ওপর পড়বে না, কারণ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য কার্যক্রম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খাদ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশ টাকার বিনিময়ে চাল আমদানি করে এবং ভারত তা বিক্রি করে। বাজার ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়েরই প্রয়োজন রয়েছে। বিক্রেতার যেমন পণ্য বিক্রির প্রয়োজন, তেমনি ক্রেতার কেনার প্রয়োজন। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে চাল ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়। এ ক্ষেত্রে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে দেখা হয় না।

খাদ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী যেখান থেকে কম দামে খাদ্যশস্য পাওয়া যায়, সেখান থেকেই আমদানি করে। এটি সম্পূর্ণভাবে বাজার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

গম আমদানির বিষয়ে তিনি জানান, দেশে ব্যবহৃত গমের প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। বছরে গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন হলেও দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে চালের সিংহভাগই দেশীয় উৎপাদন থেকে আসে, তবে কিছু পরিমাণ চাল আমদানি করা হয় এবং আরও কিছু আমদানির প্রক্রিয়ায় রয়েছে। চলতি আমদানি কার্যক্রম শেষ হলে কয়েক মাস পর অন্যান্য বছরের তুলনায় আমদানির পরিমাণ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

খাদ্য উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি খাদ্য গুদামে মোট ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২৩ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ মেট্রিক টন ধান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্যকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় না বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা।

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোনো প্রভাব দেশের খাদ্য পরিস্থিতির ওপর পড়বে না, কারণ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য কার্যক্রম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খাদ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশ টাকার বিনিময়ে চাল আমদানি করে এবং ভারত তা বিক্রি করে। বাজার ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়েরই প্রয়োজন রয়েছে। বিক্রেতার যেমন পণ্য বিক্রির প্রয়োজন, তেমনি ক্রেতার কেনার প্রয়োজন। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে চাল ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়। এ ক্ষেত্রে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে দেখা হয় না।

খাদ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী যেখান থেকে কম দামে খাদ্যশস্য পাওয়া যায়, সেখান থেকেই আমদানি করে। এটি সম্পূর্ণভাবে বাজার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

গম আমদানির বিষয়ে তিনি জানান, দেশে ব্যবহৃত গমের প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। বছরে গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন হলেও দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে চালের সিংহভাগই দেশীয় উৎপাদন থেকে আসে, তবে কিছু পরিমাণ চাল আমদানি করা হয় এবং আরও কিছু আমদানির প্রক্রিয়ায় রয়েছে। চলতি আমদানি কার্যক্রম শেষ হলে কয়েক মাস পর অন্যান্য বছরের তুলনায় আমদানির পরিমাণ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

খাদ্য উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি খাদ্য গুদামে মোট ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২৩ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ মেট্রিক টন ধান।