ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় শান্তি আনতে তুরস্কের সেনা প্রয়োজন: এরদোয়ান


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২০ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সতর্ক করেছেন, গাজা উপত্যকায় কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা বাহিনী গঠন তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত না করলে তা ফিলিস্তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হবে।

ব্লুমবার্গকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, গাজায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এমন পক্ষগুলোর অংশগ্রহণ জরুরি যাদের স্থানীয় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও অঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতা তুরস্ককে এই প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এরদোয়ান আরও বলেন, শারম আল-শেখ ঘোষণায় উল্লেখিত দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক বৈধ অংশগ্রহণকারী। তাই দেশটিকে বাদ দিয়ে কোনো মেকানিজম বা আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন হলে তা ফিলিস্তিনিদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গাজায় একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে, যা হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে দায়িত্ব নেবে। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্কের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছেন। নেতানিয়াহুর এই অবস্থানের কারণে আজারবাইজান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোও সেনা পাঠাতে দ্বিধা করছে।

এরপরও ট্রাম্প তুরস্কের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ উড়িয়ে দেননি। তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আঙ্কারা কেবল সেনা মোতায়েনে আগ্রহী নয়, বরং তাদের মূল উদ্বেগ হলো হামাস যদি আন্তর্জাতিক বাহিনীর ওপর আস্থা না রাখে, তবে পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই ভেঙে যেতে পারে।

এরদোয়ান বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্বের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধন তুরস্ককে অনন্য অবস্থানে রেখেছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে আঙ্কারা এই সংকটে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল প্রায় এক হাজার বার লঙ্ঘন করেছে। গত দুই বছরে ইসরায়েলি হামলায় ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তীব্র শীত ও ঝড়ো হাওয়ায় গাজার তাঁবুতে বসবাসরত লাখ লাখ মানুষ চরম মানবিক সংকটে আছে। একই সময়ে ইসরায়েল কিছু আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে নিষিদ্ধ করেছে। এ পরিস্থিতিতে তুরস্ক, কাতার, মিশর ও সৌদি আরবসহ আটটি মুসলিম দেশ ইসরায়েলকে গাজায় নির্বিঘ্ন ত্রাণ সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

গাজায় শান্তি আনতে তুরস্কের সেনা প্রয়োজন: এরদোয়ান

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সতর্ক করেছেন, গাজা উপত্যকায় কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা বাহিনী গঠন তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত না করলে তা ফিলিস্তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হবে।

ব্লুমবার্গকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, গাজায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এমন পক্ষগুলোর অংশগ্রহণ জরুরি যাদের স্থানীয় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও অঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতা তুরস্ককে এই প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এরদোয়ান আরও বলেন, শারম আল-শেখ ঘোষণায় উল্লেখিত দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক বৈধ অংশগ্রহণকারী। তাই দেশটিকে বাদ দিয়ে কোনো মেকানিজম বা আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন হলে তা ফিলিস্তিনিদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গাজায় একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে, যা হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে দায়িত্ব নেবে। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্কের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছেন। নেতানিয়াহুর এই অবস্থানের কারণে আজারবাইজান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোও সেনা পাঠাতে দ্বিধা করছে।

এরপরও ট্রাম্প তুরস্কের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ উড়িয়ে দেননি। তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আঙ্কারা কেবল সেনা মোতায়েনে আগ্রহী নয়, বরং তাদের মূল উদ্বেগ হলো হামাস যদি আন্তর্জাতিক বাহিনীর ওপর আস্থা না রাখে, তবে পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই ভেঙে যেতে পারে।

এরদোয়ান বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্বের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধন তুরস্ককে অনন্য অবস্থানে রেখেছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে আঙ্কারা এই সংকটে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল প্রায় এক হাজার বার লঙ্ঘন করেছে। গত দুই বছরে ইসরায়েলি হামলায় ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তীব্র শীত ও ঝড়ো হাওয়ায় গাজার তাঁবুতে বসবাসরত লাখ লাখ মানুষ চরম মানবিক সংকটে আছে। একই সময়ে ইসরায়েল কিছু আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে নিষিদ্ধ করেছে। এ পরিস্থিতিতে তুরস্ক, কাতার, মিশর ও সৌদি আরবসহ আটটি মুসলিম দেশ ইসরায়েলকে গাজায় নির্বিঘ্ন ত্রাণ সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে।