ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

পাকিস্তানে ধারাবাহিক অভিযানে ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১১১ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক অভিযান ও গোলাগুলিতে অন্তত ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। একই সময়ে প্রদেশের অন্য কয়েকটি এলাকায় সহিংস ঘটনায় কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি)-এর দুই সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইএসপিআর জানায়, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে চালানো প্রথম অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের তীব্র গোলাগুলিতে ছয়জন নিহত হন। অন্যদিকে কুররম জেলায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে আরও পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিহতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা ভারত সমর্থিত খারিজি গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করেছে আইএসপিআর। এর আগে এই গোষ্ঠী নিরাপত্তা বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর একাধিক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল।

আইএসপিআর আরও জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আজম ই ইস্তেহকাম কর্মসূচির আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে খাইবার জেলার মালাগোরি এলাকায় গোলাগুলিতে এক সন্ত্রাসী নিহত, একজন আহত এবং দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা খুনাররি বাঁধের কাছে সন্দেহজনক চলাচল লক্ষ্য করে নিরাপত্তা বাহিনীকে খবর দিলে স্থানীয় সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় অভিযান শুরু হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গানশিপ হেলিকপ্টার ও আর্টিলারি ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দুইজন চোখ বাঁধা সন্দেহভাজনকে জনতার সামনে আটক অবস্থায় দেখা যায়। ওই সময় এক সেনা কর্মকর্তা স্থানীয়দের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালাগোরি এলাকায় এটিই প্রথম বড় ধরনের সংঘর্ষ। এই অঞ্চলের ওয়ারসাক বাঁধ এলাকায় চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা রক্ষণাবেক্ষণ ও সেচখাল নির্মাণকাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

অন্যদিকে পেশোয়ারের রেগি থানাধীন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত হামলাকারীদের গুলিতে সিটিডির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম সানাউল্লাহ। ঘটনার পর এলাকায় তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাজাউর জেলার ওয়ার মামুন্দ তহসিলে সাইফুর রহমান নামে আরও এক সিটিডি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পাকিস্তানে ধারাবাহিক অভিযানে ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক অভিযান ও গোলাগুলিতে অন্তত ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। একই সময়ে প্রদেশের অন্য কয়েকটি এলাকায় সহিংস ঘটনায় কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি)-এর দুই সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইএসপিআর জানায়, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে চালানো প্রথম অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের তীব্র গোলাগুলিতে ছয়জন নিহত হন। অন্যদিকে কুররম জেলায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে আরও পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিহতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা ভারত সমর্থিত খারিজি গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করেছে আইএসপিআর। এর আগে এই গোষ্ঠী নিরাপত্তা বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর একাধিক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল।

আইএসপিআর আরও জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আজম ই ইস্তেহকাম কর্মসূচির আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে খাইবার জেলার মালাগোরি এলাকায় গোলাগুলিতে এক সন্ত্রাসী নিহত, একজন আহত এবং দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা খুনাররি বাঁধের কাছে সন্দেহজনক চলাচল লক্ষ্য করে নিরাপত্তা বাহিনীকে খবর দিলে স্থানীয় সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় অভিযান শুরু হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গানশিপ হেলিকপ্টার ও আর্টিলারি ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দুইজন চোখ বাঁধা সন্দেহভাজনকে জনতার সামনে আটক অবস্থায় দেখা যায়। ওই সময় এক সেনা কর্মকর্তা স্থানীয়দের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালাগোরি এলাকায় এটিই প্রথম বড় ধরনের সংঘর্ষ। এই অঞ্চলের ওয়ারসাক বাঁধ এলাকায় চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা রক্ষণাবেক্ষণ ও সেচখাল নির্মাণকাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

অন্যদিকে পেশোয়ারের রেগি থানাধীন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত হামলাকারীদের গুলিতে সিটিডির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম সানাউল্লাহ। ঘটনার পর এলাকায় তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাজাউর জেলার ওয়ার মামুন্দ তহসিলে সাইফুর রহমান নামে আরও এক সিটিডি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।