ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

জেলেনস্কি ইচ্ছাকৃতভাবে শান্তি চুক্তি আটকে রেখেছেন: ট্রাম্প


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১১৫ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে প্রস্তুত থাকলেও ইউক্রেন সে তুলনায় কম আগ্রহী। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় পুতিন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত। কিন্তু ইউক্রেন ততটা প্রস্তুত নয়।’

যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একাধিক দফা আলোচনা হলেও কোনো সমাধান না আসার কারণ হিসেবে ট্রাম্প সরাসরি জেলেনস্কিকেই দায়ী করেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার প্রশাসন গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে জেলেনস্কির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। কয়েক মাস আগে তিনি আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সর্বশেষ গত মাসের শেষদিকে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই নেতা জেলেনস্কির প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

তবে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ অবসানের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হামলা চালাচ্ছে, যার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইউক্রেনও।

রাশিয়ার অব্যাহত হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জ্বালানি খাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মুখপাত্র ক্যাটেরিনা পপ জানিয়েছেন, রাজধানীর ৪৭১টি ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এদিকে রাতের তাপমাত্রা মাইনাস ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ায় তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কিয়েভের বাসিন্দারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জেলেনস্কি ইচ্ছাকৃতভাবে শান্তি চুক্তি আটকে রেখেছেন: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে প্রস্তুত থাকলেও ইউক্রেন সে তুলনায় কম আগ্রহী। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় পুতিন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত। কিন্তু ইউক্রেন ততটা প্রস্তুত নয়।’

যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একাধিক দফা আলোচনা হলেও কোনো সমাধান না আসার কারণ হিসেবে ট্রাম্প সরাসরি জেলেনস্কিকেই দায়ী করেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার প্রশাসন গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে জেলেনস্কির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। কয়েক মাস আগে তিনি আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সর্বশেষ গত মাসের শেষদিকে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই নেতা জেলেনস্কির প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

তবে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ অবসানের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হামলা চালাচ্ছে, যার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইউক্রেনও।

রাশিয়ার অব্যাহত হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জ্বালানি খাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মুখপাত্র ক্যাটেরিনা পপ জানিয়েছেন, রাজধানীর ৪৭১টি ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এদিকে রাতের তাপমাত্রা মাইনাস ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ায় তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কিয়েভের বাসিন্দারা।