ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

বাংলাদেশিসহ ২১৭ জনকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের কোতারায়া এবং সেলাঙ্গর রাজ্যের আম্পাং জায়ায় একযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অভিযান চলাকালে বাংলাদেশিসহ অন্তত ২১৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, প্রথম অভিযান কোতারায়ার বাংলা মার্কেট এলাকায় এবং দ্বিতীয় অভিযান গ্যালাক্সি আম্পাং এলাকায় পরিচালিত হয়। এই দুই এলাকায় মোট ১ হাজার ৫৩০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়।

অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের ৮৯ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬০ জন, ফিলিপিন্সের ৫১ জন, বাংলাদেশের ৩ জন, ভারতের ৫ জন এবং নেপাল, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া ও জার্মানির নাগরিকরাও রয়েছেন। তাদের বয়স ২১ থেকে ৬৩ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ এবং ১৬২ জন নারী।

লোকমান এফেন্দি জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং ভুয়া ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযান চলাকালীন অনেকেই পালাতে চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ধরা পড়েন।

এদিকে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় মোট ১৩ হাজার ৯১০টি অভিযানে ৯২ হাজার ৩৬০ জন অবৈধ অভিবাসী ও ২ হাজার ১৬৩ জন নিয়োগকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ১৭ দিনে ৫০০টির বেশি অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭৬০ জন অভিবাসী এবং ৩৫ জন নিয়োগকর্তাকে আটক করা হয়েছে।

উপ-মহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি সাধারণ জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, কোনো নিয়োগকর্তা বা স্থানীয় নাগরিক যেন অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় না দেয়। আটককৃতদের বর্তমানে ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বাংলাদেশিসহ ২১৭ জনকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ

আপডেট সময় : ০৪:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের কোতারায়া এবং সেলাঙ্গর রাজ্যের আম্পাং জায়ায় একযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অভিযান চলাকালে বাংলাদেশিসহ অন্তত ২১৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, প্রথম অভিযান কোতারায়ার বাংলা মার্কেট এলাকায় এবং দ্বিতীয় অভিযান গ্যালাক্সি আম্পাং এলাকায় পরিচালিত হয়। এই দুই এলাকায় মোট ১ হাজার ৫৩০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়।

অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের ৮৯ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬০ জন, ফিলিপিন্সের ৫১ জন, বাংলাদেশের ৩ জন, ভারতের ৫ জন এবং নেপাল, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া ও জার্মানির নাগরিকরাও রয়েছেন। তাদের বয়স ২১ থেকে ৬৩ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ এবং ১৬২ জন নারী।

লোকমান এফেন্দি জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং ভুয়া ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযান চলাকালীন অনেকেই পালাতে চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ধরা পড়েন।

এদিকে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় মোট ১৩ হাজার ৯১০টি অভিযানে ৯২ হাজার ৩৬০ জন অবৈধ অভিবাসী ও ২ হাজার ১৬৩ জন নিয়োগকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ১৭ দিনে ৫০০টির বেশি অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭৬০ জন অভিবাসী এবং ৩৫ জন নিয়োগকর্তাকে আটক করা হয়েছে।

উপ-মহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি সাধারণ জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, কোনো নিয়োগকর্তা বা স্থানীয় নাগরিক যেন অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় না দেয়। আটককৃতদের বর্তমানে ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।