ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

বিশেষ একটি দলকে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক সমর্থনে ইনসাফ ব্যাহত হচ্ছে: মুজিবুর রহমান


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনের প্রার্থী মুজিবুর রহমান অভিযোগ করেছেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পক্ষপাতমূলক ভূমিকার কারণে নির্বাচনে সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হচ্ছে না। এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ নিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জুলাইয়ের মূল চেতনা হচ্ছে ইনসাফ। সেই ইনসাফ যদি বাস্তবায়িত না হয়, তবে তা পুনরুদ্ধারে সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামা হবে।’

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ স্পষ্ট। কাউকে আচরণবিধির বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে একেবারেই নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা বৈধ করা হবে না। সে অনুযায়ী আমাদের দলের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়া হয়নি। অথচ অন্য দলের দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সব ইসলামী দল এক প্ল্যাটফর্মে থাকুক। তারা কেন জোট থেকে সরে গেছে, তা তারাই ভালো জানে। তবে ইসলামী দলগুলোকে একত্রিত করতে তাদের ত্যাগ ও কোরবানি রয়েছে। সে কারণে তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে।’

এ সময় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ গ্রহণ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিশেষ একটি দলকে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক সমর্থনে ইনসাফ ব্যাহত হচ্ছে: মুজিবুর রহমান

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনের প্রার্থী মুজিবুর রহমান অভিযোগ করেছেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পক্ষপাতমূলক ভূমিকার কারণে নির্বাচনে সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হচ্ছে না। এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ নিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জুলাইয়ের মূল চেতনা হচ্ছে ইনসাফ। সেই ইনসাফ যদি বাস্তবায়িত না হয়, তবে তা পুনরুদ্ধারে সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামা হবে।’

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ স্পষ্ট। কাউকে আচরণবিধির বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে একেবারেই নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা বৈধ করা হবে না। সে অনুযায়ী আমাদের দলের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়া হয়নি। অথচ অন্য দলের দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সব ইসলামী দল এক প্ল্যাটফর্মে থাকুক। তারা কেন জোট থেকে সরে গেছে, তা তারাই ভালো জানে। তবে ইসলামী দলগুলোকে একত্রিত করতে তাদের ত্যাগ ও কোরবানি রয়েছে। সে কারণে তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে।’

এ সময় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ গ্রহণ করেন।