ট্রাম্পকে ‘মাদুরো-স্টাইলে’ আটক করার হুঁশিয়ারি ইরানের
- আপডেট সময় : ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২০৮১ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পৌঁছানোর খবরে নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইরানের নিকটবর্তী এলাকায় এসব যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের সংঘাতের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের প্রভাবশালী আদর্শিক চিন্তাবিদ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হাসান রহিমপুর আজগাদি বলেন, ট্রাম্পকে বন্দি করা উচিত—যেমনটি তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে করার চেষ্টা করেছিলেন। ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল যদি ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা চালায়, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালায়ি-নিক। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো আগ্রাসন হলে, তা আগের চেয়েও আরও যন্ত্রণাদায়ক ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে।’
তিনি আরও দাবি করেন, গত জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী। তার ভাষায়, ‘তারা যদি কোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আগের চেয়ে আরও বেশি ব্যর্থ হবে এবং বড় ধরনের পরাজয়ের সম্মুখীন হবে।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি যুদ্ধজাহাজের আগমন তেহরানের প্রতিরক্ষা কৌশল কিংবা কূটনৈতিক অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনবে না।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। আমরা কখনো যুদ্ধকে স্বাগত জানাইনি, আবার কূটনীতি ও আলোচনার পথ থেকেও সরে আসিনি—যা আমরা বাস্তবে প্রমাণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, জনগণের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে দেশ রক্ষায় ইরানের যথেষ্ট সক্ষমতা ও দৃঢ় সংকল্প রয়েছে। বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি ইরানের প্রতিরক্ষা মনোবল বা আত্মবিশ্বাসকে কোনোভাবেই দুর্বল করতে পারবে না।



























