ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড


জুবায়ের শাহরিয়ার
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহনাফ আল মাঈন নাশিত (১০) অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা-দায়রা জজ এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— আশরাফ হোসেন তুষার (২০), মোবারক হোসেন ওয়াসিম (২০) ও ওমর ফারুক রিপাত (২০)। রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টার দিকে কারাগার থেকে তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত সাজা পরোয়ানা জারি করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ফেনী শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কে কোচিং ক্লাস শেষে স্থানীয় বায়তুল খায়ের জামে মসজিদে নামাজ আদায় করে নাশিত। নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিচিত তুষার ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে শহরতলির দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে জুসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয়।

পরে অপহরণকারীরা নাশিতের ছবি তুলে তার বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে তারা নাশিতকে হত্যা করে মরদেহ রেললাইনের পাশের একটি স্থানে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় ৯ ডিসেম্বর নাশিতের বাবা ফেনী মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তী দুই দিন একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সন্দেহের ভিত্তিতে তুষারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেওয়ানগঞ্জ এলাকার একটি ডোবা থেকে নাশিতের মরদেহ ও স্কুলব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৫৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফেনীতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহনাফ আল মাঈন নাশিত (১০) অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা-দায়রা জজ এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— আশরাফ হোসেন তুষার (২০), মোবারক হোসেন ওয়াসিম (২০) ও ওমর ফারুক রিপাত (২০)। রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টার দিকে কারাগার থেকে তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত সাজা পরোয়ানা জারি করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ফেনী শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কে কোচিং ক্লাস শেষে স্থানীয় বায়তুল খায়ের জামে মসজিদে নামাজ আদায় করে নাশিত। নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিচিত তুষার ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে শহরতলির দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে জুসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয়।

পরে অপহরণকারীরা নাশিতের ছবি তুলে তার বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে তারা নাশিতকে হত্যা করে মরদেহ রেললাইনের পাশের একটি স্থানে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় ৯ ডিসেম্বর নাশিতের বাবা ফেনী মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তী দুই দিন একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সন্দেহের ভিত্তিতে তুষারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেওয়ানগঞ্জ এলাকার একটি ডোবা থেকে নাশিতের মরদেহ ও স্কুলব্যাগ উদ্ধার করা হয়।