১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির উদ্যোগ শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২০৯৮ বার পড়া হয়েছে
দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (স্কুল ও কলেজ) প্রথম ধাপে এমপিওভুক্ত করার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ তালিকা অনুযায়ী এমপিওভুক্তির বিষয়ে সম্মতি চেয়ে ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগে পত্র পাঠানো হয়েছে।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী আবেদন আহ্বান করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে রয়েছে—নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান।
নীতিমালায় নির্ধারিত মানদণ্ড, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম পর্যায়ে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।
চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের আগে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাখিলকৃত তথ্য ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ডাটাবেজের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্তও করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, যাতে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। এ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা করলে বা এ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর (+৮৮০১৩৩৯-৭৭৪৫২৮)-এ খুদে বার্তার মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা, প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও এ প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।
এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


























