“আমরা ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবো”— চরমোনাই পীর
- আপডেট সময় : ০৮:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২০৮৯ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা দুর্নীতি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি নানা কৌশলের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন করা হবে। আর্থিক খাতে সচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দুর্নীতির ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক ও প্রকাশ্য শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
চরমোনাই পীর তার বক্তব্যে রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি এবং খাতভিত্তিক পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামের নীতি ও অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামের মূলনীতিকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশে কাঙ্ক্ষিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং অস্থিরতা বেড়েছে। অতীতে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন, তারা এই পরিস্থিতির দায় এড়াতে পারেন না।
একই সঙ্গে ভুল নীতি ও ভুল নেতৃত্বকে ভোট দেয়ার কারণেও সাধারণ মানুষ এই দায় থেকে মুক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন দলটির আমির। তার ভাষায়, ভুল নীতি ও নেতৃত্বের কারণে দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই ভুল থেকে বেরিয়ে দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে চায়, যেখানে জনগণের ভোটই হবে প্রধান শক্তি। বক্তব্যে তিনি দলের ৩০ দফা ইশতেহার পাঠ করেন।
এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের এই বক্তব্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সম্প্রচার করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতিফলনের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।
এছাড়া রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি, খাতভিত্তিক পরিকল্পনা এবং ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থানও তুলে ধরা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।




























