ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

তরুণদের হাতে নতুন বাংলাদেশ তুলে দিতে চাই: জামায়াত আমির


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১০২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

জুলাইয়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের হাতে নতুন বাংলাদেশ তুলে দিতে কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চান তারা। তিনি বলেন, এমন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন যেখানে পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ রাষ্ট্র পরিচালনার আসনে বসতে পারবে না। রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা এমন একটি দেশ চান যেখানে মানুষের অধিকার হরণ করার সুযোগ থাকবে না। ক্ষমতাবানদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস সবার থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবরার ফাহাদ, আবু সাইদ, মুগ্ধ ওসমান হাদি এবং তাদের সহযোদ্ধারা সেই সাহস দেখিয়েছেন। এই সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ তুলে দিতে চান বলেও জানান তিনি।

গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ নিরাপত্তা, সুশাসন ও ইনসাফ চায়। এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে বাংলাদেশকে সাজাতে চান তারা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, তবে তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়লে সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এসব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার সংগ্রাম থেকেই রক্তাক্ত জুলাইয়ের জন্ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, তরুণরা নতুন দেশ ও পরিবর্তন দেখতে চায়, কিন্তু একটি মহল সেই পরিবর্তনের বিরোধিতা করছে, কারণ পরিবর্তন হলে তাদের অপকর্ম বন্ধ হবে।

ক্ষমতায় গেলে প্রথম দিন থেকেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত হয়ে শাসকশ্রেণি নিজেদের রাষ্ট্রের মালিক মনে করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবি ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ভাষণের শেষাংশে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের মতো আর কোনো রক্তাক্ত ইতিহাস তারা চান না। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে জনগণকে দাবি আদায়ে আর রাস্তায় নামতে হবে না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

তরুণদের হাতে নতুন বাংলাদেশ তুলে দিতে চাই: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাইয়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের হাতে নতুন বাংলাদেশ তুলে দিতে কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চান তারা। তিনি বলেন, এমন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন যেখানে পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ রাষ্ট্র পরিচালনার আসনে বসতে পারবে না। রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা এমন একটি দেশ চান যেখানে মানুষের অধিকার হরণ করার সুযোগ থাকবে না। ক্ষমতাবানদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস সবার থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবরার ফাহাদ, আবু সাইদ, মুগ্ধ ওসমান হাদি এবং তাদের সহযোদ্ধারা সেই সাহস দেখিয়েছেন। এই সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ তুলে দিতে চান বলেও জানান তিনি।

গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ নিরাপত্তা, সুশাসন ও ইনসাফ চায়। এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে বাংলাদেশকে সাজাতে চান তারা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, তবে তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়লে সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এসব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার সংগ্রাম থেকেই রক্তাক্ত জুলাইয়ের জন্ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, তরুণরা নতুন দেশ ও পরিবর্তন দেখতে চায়, কিন্তু একটি মহল সেই পরিবর্তনের বিরোধিতা করছে, কারণ পরিবর্তন হলে তাদের অপকর্ম বন্ধ হবে।

ক্ষমতায় গেলে প্রথম দিন থেকেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত হয়ে শাসকশ্রেণি নিজেদের রাষ্ট্রের মালিক মনে করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবি ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ভাষণের শেষাংশে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের মতো আর কোনো রক্তাক্ত ইতিহাস তারা চান না। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে জনগণকে দাবি আদায়ে আর রাস্তায় নামতে হবে না।