ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরে বাজার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮১ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার নটখোলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী ও সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী ময়েনদিয়া বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে মান্নান মাতুব্বরের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বাজারটির নিয়ন্ত্রণ নেন জিহাদ মিয়া ও টুলু মিয়া। সম্প্রতি নির্বাচনের আগের দিন এলাকায় ফিরে এসে আবারও বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেন মান্নান মাতুব্বর। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। শনিবার সকালে জিহাদ মিয়ার সমর্থকরা নটখোলা গ্রামের লোকজনকে ময়েনদিয়া বাজারে যেতে বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় দুটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং অন্তত ১২টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ফরিদপুরে বাজার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার নটখোলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী ও সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী ময়েনদিয়া বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে মান্নান মাতুব্বরের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বাজারটির নিয়ন্ত্রণ নেন জিহাদ মিয়া ও টুলু মিয়া। সম্প্রতি নির্বাচনের আগের দিন এলাকায় ফিরে এসে আবারও বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেন মান্নান মাতুব্বর। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। শনিবার সকালে জিহাদ মিয়ার সমর্থকরা নটখোলা গ্রামের লোকজনকে ময়েনদিয়া বাজারে যেতে বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় দুটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং অন্তত ১২টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।