বঙ্গোপসাগরে বনদস্যুদের হামলা, অপহৃত ২০ জেলে
- আপডেট সময় : ০৫:৪২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে
সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বনদস্যুদের হামলায় পৃথক দুটি স্থান থেকে ২০ জেলে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে দুবলার উপকূলের নারিকেলবাড়ীয়া ও আমবাড়ীয়ার সাগরের খাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণের দাবিতে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, সোমবার গভীর রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ের বনদস্যুরা নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় মাছ ধরার সময় জেলেদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আটটি ট্রলার থেকে আট জেলেকে অপহরণ করা হয়।
অপহৃতরা হলেন—হরিদাস বিশ্বাস, গোপাল বিশ্বাস, রমেশ বিশ্বাস, প্রশান্ত বিশ্বাস, শংকর বিশ্বাস, তুষার বিশ্বাস, মনিরুল ও উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস। তাঁদের সবার বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলায়।
একই রাতে আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকায় আরেকটি জেলে বহরে হামলা চালায় বনদস্যু সুমন–জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। অস্ত্রের মুখে ১২টি ট্রলার থেকে আরও ১২ জেলেকে অপহরণ করা হয়।
অপহৃতরা হলেন—কালিদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রূপ কুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস। তাঁদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি উপজেলায়।
সুন্দরবনের দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে চারটি বনদস্যু চক্র সুন্দরবন ও সাগর এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এসব চক্র নিয়মিত জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে, ফলে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি দ্রুত দস্যু দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ২০ জেলে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও র্যাবের সহায়তা চাওয়া হয়েছে এবং বনরক্ষীদের টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






















