ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝাড়খণ্ডে বিধ্বস্ত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, প্রাণ গেল ৭ জনের


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের চাত্রা জেলার সিমারিয়া এলাকায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা সাতজনের সবাই নিহত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। খবর এনডিটিভির।

চাত্রার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং এতে থাকা সাতজনের কেউই বেঁচে নেই।

রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর, প্রায় ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে সিমারিয়ার বারিয়াতু পঞ্চায়েতের একটি ঘন জঙ্গল এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।

পুলিশের উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তা শুভম খান্ডেলওয়াল জানান, ঘটনাস্থল থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন— ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ ভগত, ক্যাপ্টেন সাভরাজদীপ সিং, সঞ্জয় কুমার, ডা. বিকাশ কুমার গুপ্ত, সচিন কুমার মিশ্র, অর্চনা দেবী এবং ধুরু কুমার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সঞ্জয় কুমার (৪১) নামে এক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে নেওয়া হচ্ছিল। তিনি লাতেহার জেলার বাসিন্দা। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় তাকে রাঁচির দেবকমল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের সিইও অনন্ত সিনহা জানান, রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় সড়কপথে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। চিকিৎসকরা সতর্ক করেছিলেন, সড়কপথে নিলে তার জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিবারের সদস্যরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন।

রোগীর এক স্বজন বলেন, ‘আমরা প্রথমে সড়কপথে নেওয়ার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। পরে সংবাদে জানতে পারি, বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ঝাড়খণ্ডে বিধ্বস্ত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, প্রাণ গেল ৭ জনের

আপডেট সময় : ১১:২৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের চাত্রা জেলার সিমারিয়া এলাকায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা সাতজনের সবাই নিহত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। খবর এনডিটিভির।

চাত্রার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং এতে থাকা সাতজনের কেউই বেঁচে নেই।

রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর, প্রায় ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে সিমারিয়ার বারিয়াতু পঞ্চায়েতের একটি ঘন জঙ্গল এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।

পুলিশের উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তা শুভম খান্ডেলওয়াল জানান, ঘটনাস্থল থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন— ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ ভগত, ক্যাপ্টেন সাভরাজদীপ সিং, সঞ্জয় কুমার, ডা. বিকাশ কুমার গুপ্ত, সচিন কুমার মিশ্র, অর্চনা দেবী এবং ধুরু কুমার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সঞ্জয় কুমার (৪১) নামে এক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে নেওয়া হচ্ছিল। তিনি লাতেহার জেলার বাসিন্দা। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় তাকে রাঁচির দেবকমল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের সিইও অনন্ত সিনহা জানান, রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় সড়কপথে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। চিকিৎসকরা সতর্ক করেছিলেন, সড়কপথে নিলে তার জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিবারের সদস্যরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন।

রোগীর এক স্বজন বলেন, ‘আমরা প্রথমে সড়কপথে নেওয়ার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। পরে সংবাদে জানতে পারি, বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।’