দাদি ও নাতনিকে হত্যার ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
- আপডেট সময় : ০১:২০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / ২০৭৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে এক মর্মান্তিক ঘটনার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দাদীকে হত্যা করে নাতনিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে।
রোববার (১ মার্চ) সকালে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, রাত ১২টার দিকে নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে, তাদের মধ্যেই মূল আসামি শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে দাদী সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং নাতনী জামিলা আক্তার (১৫)-এর বাড়িতে এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত দাদীর রক্তাক্ত মরদেহ বাড়ির গেটে, আর নাতনীর বিবস্ত্র মরদেহ বাড়ির পাশের সরিষার ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায়।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে একজন নাতনী জামিলা খাতুনের সম্ভাব্য প্রেমিক বলে জানা গেছে।
নিহতের আত্মীয়-স্বজন জানান, জামিলা আক্তারের বাবা-মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তিন বোনের মধ্যে জামিলা ছোটতম। ছোটবেলা থেকেই সে দাদীর সঙ্গে থাকতো। বাবা জয়নাল খা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। জামিলা কোরআনের হাফিজিয়া পড়াশোনা করছিলেন এবং পার্শবর্তী দাখিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
পাবনা পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বলেন, “এই জঘন্য ঘটনায় আমাদের সব টিম কাজ করছে। কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। খুব দ্রুত আমরা জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”






















