কার্যালয়ে ইরানের হামলার দাবির কয়েক ঘণ্টা পর প্রকাশ্যে এলেন নেতানিয়াহু
- আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
- / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার দাবি করেছে, তারা তেল আবিবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এ দাবি ঘিরে নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে সাময়িকভাবে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, “ইহুদি শাসনের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।” একই সঙ্গে তারা দাবি করে, ইসরাইলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের দপ্তরেও হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এসব দাবির কয়েক ঘণ্টা পরই নেতানিয়াহু বেইত শেমেশে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার একটি স্থানে উপস্থিত হন। সেখানে নয়জন নিহত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানের অভ্যন্তরে পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করা এবং সম্ভাব্য অস্তিত্বগত হুমকি দূর করা।
ইরানে সাম্প্রতিক হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর নেতানিয়াহুকে শেষবার জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল। তিন দিন পর আবারও প্রকাশ্যে এসে তিনি চলমান অভিযানের বিষয়ে কথা বলেন।
নেতানিয়াহু জানান, “অপারেশন রোরিং লায়ন”-এর তৃতীয় দিন চলছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমন্বয় করে এ অভিযান শুরু করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী, যার লক্ষ্য বৃহত্তর হুমকি প্রতিহত করা।
ইরানের হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, ইসরাইলের লক্ষ্য নির্দিষ্ট সামরিক ও শাসন সংশ্লিষ্ট স্থাপনা। তিনি আরও দাবি করেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র ও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জন করে, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তারা বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষার লক্ষ্যেও পদক্ষেপ নিয়েছে। এ প্রচেষ্টায় সমর্থনের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।



























