ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

আইআরজিসির দাবি: ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, রণতরী প্রত্যাহার


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে চালানো পাল্টা অভিযানে দুই দিনে অন্তত ৬৫০ মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন সরে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আইআরজিসির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন বলে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা ও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন।

পরমাণু ইস্যুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইসরাইল এ অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন লায়নস রোর’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।

ইরানের রাজধানী তেহরানে চালানো হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে ইরানি সূত্রের দাবি। এর জবাবে ‘অপারেশন ট্রু প্রোমিস ৪’ নামে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি দাবি করেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদফতর ও একাধিক যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাহরাইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলায় ১৬০ মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন। এছাড়া ইরানের নৌবাহিনীর হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

নাঈনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এ হামলার পর রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সরে যায় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আইআরজিসির দাবি: ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, রণতরী প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে চালানো পাল্টা অভিযানে দুই দিনে অন্তত ৬৫০ মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন সরে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আইআরজিসির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন বলে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা ও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন।

পরমাণু ইস্যুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইসরাইল এ অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন লায়নস রোর’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।

ইরানের রাজধানী তেহরানে চালানো হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে ইরানি সূত্রের দাবি। এর জবাবে ‘অপারেশন ট্রু প্রোমিস ৪’ নামে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি দাবি করেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদফতর ও একাধিক যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাহরাইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলায় ১৬০ মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন। এছাড়া ইরানের নৌবাহিনীর হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

নাঈনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এ হামলার পর রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সরে যায় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।