ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতে কনস্যুলার অ্যাক্সেস চাইল বাংলাদেশ


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৮৮ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হওয়া শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে (৩৪) কনস্যুলার অ্যাক্সেস দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

রোববার (৮ মার্চ) উপ-হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিনে ঢাকায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানান, হাদি হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার দুই অভিযুক্তকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতারের বিষয়টি কলকাতা পুলিশ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনকে অবহিত করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপ-হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়েছে।

গত ৭ ও ৮ মার্চ দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার তাদের স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগের সময় রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কনস্যুলার অ্যাক্সেস বলতে বোঝায়—বিদেশে কোনো দেশের নাগরিক গ্রেফতার বা আটক হলে তার দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তাদের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার অধিকার। আন্তর্জাতিক আইনে ভিয়েনা কনভেনশন অন কনস্যুলার রিলেশন্সের মাধ্যমে এই অধিকার স্বীকৃত। এর ফলে দূতাবাস বা কনস্যুলেট আটক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করা, তার অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আইনি সহায়তা বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে সহযোগিতা করতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতে কনস্যুলার অ্যাক্সেস চাইল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হওয়া শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে (৩৪) কনস্যুলার অ্যাক্সেস দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

রোববার (৮ মার্চ) উপ-হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিনে ঢাকায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানান, হাদি হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার দুই অভিযুক্তকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতারের বিষয়টি কলকাতা পুলিশ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনকে অবহিত করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপ-হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়েছে।

গত ৭ ও ৮ মার্চ দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার তাদের স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগের সময় রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কনস্যুলার অ্যাক্সেস বলতে বোঝায়—বিদেশে কোনো দেশের নাগরিক গ্রেফতার বা আটক হলে তার দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তাদের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার অধিকার। আন্তর্জাতিক আইনে ভিয়েনা কনভেনশন অন কনস্যুলার রিলেশন্সের মাধ্যমে এই অধিকার স্বীকৃত। এর ফলে দূতাবাস বা কনস্যুলেট আটক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করা, তার অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আইনি সহায়তা বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে সহযোগিতা করতে পারে।