খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
- / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে নদী, খাল-নালা ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়া এলাকায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান তিনি।
সাহাপাড়ায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী নিজেই কোদাল হাতে নিয়ে প্রতীকীভাবে খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নেন। এ সময় কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা যায়। এলাকাবাসীর আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পানির সংকট অনেকটাই কমবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কৃষি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল-নালা ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ের খাল খনন উদ্যোগ থেকে শিক্ষা নিয়ে আধুনিক ও টেকসই পদ্ধতিতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষাকালের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ নিশ্চিত করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। সে সময় সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চালু করা হয় ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি।


























