ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২১০৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া অযোগ্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।

তিনি জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য দেন।

আব্দুল মালিক তার বক্তব্যে বলেন, গত দেড় দশকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছেন। এ সময় অসাধু ব্যক্তিরা ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিয়েছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এর প্রভাব বেশি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, আগস্ট ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই চালিয়ে ৪৮১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির গর্ব। তবে কিছু ব্যক্তি অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) গঠিত উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

সিলেট অঞ্চলের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসে থাকা যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনও ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত শেষ করে হস্তান্তর এবং বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া অযোগ্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।

তিনি জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য দেন।

আব্দুল মালিক তার বক্তব্যে বলেন, গত দেড় দশকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছেন। এ সময় অসাধু ব্যক্তিরা ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিয়েছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এর প্রভাব বেশি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, আগস্ট ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই চালিয়ে ৪৮১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির গর্ব। তবে কিছু ব্যক্তি অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) গঠিত উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

সিলেট অঞ্চলের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসে থাকা যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনও ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত শেষ করে হস্তান্তর এবং বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।