মহাপরিকল্পনায় পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
- / ২১১৪ বার পড়া হয়েছে
মহাপরিকল্পনায় আগামী দুই দশকে দেশের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনের ১১তম দিনের সকালের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পর্যটনবান্ধব নীতি প্রণয়ন, ট্যুর গাইডদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, রন্ধনশৈলীভিত্তিক পর্যটনের প্রসার, কমিউনিটি, এথনিক ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ এবং ইকো ও গ্রামীণ পর্যটন উন্নয়ন—এসব বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’র খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার গঠন, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, উপকূলীয় পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। পর্যটনের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলার সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি জানান, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন ধারণা থেকে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলা ও ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
এ ছাড়া নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী শিক্ষার প্রসার ও ক্ষমতায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বড় ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোতে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


























