ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

ফেনী’র ১০২ কি.মি. সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সর্বোচ্চ সতর্ক


আফতাব মমিন ভূঁঞা, ফেনী
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ২০৯৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সর্বদা পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) এর আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেনী ৪ ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে। এ লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সমূহে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। একইসাথে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, বিশেষ অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহভাজন পয়েন্টসমূহে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য, গবাদিপশু, ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

ফেনী সীমান্ত এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, চলাচল বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সকলকে যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান, টহল ও নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন অধিনায়ক, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ফেনী’র ১০২ কি.মি. সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সর্বোচ্চ সতর্ক

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সর্বদা পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) এর আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেনী ৪ ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে। এ লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সমূহে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। একইসাথে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, বিশেষ অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহভাজন পয়েন্টসমূহে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য, গবাদিপশু, ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

ফেনী সীমান্ত এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, চলাচল বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সকলকে যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান, টহল ও নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন অধিনায়ক, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)।