ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

আদ-দ্বীন হাসপাতালের বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / ২১০৭ বার পড়া হয়েছে

গত সপ্তাহে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আলোচনায় আসা আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই এবং কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যানও জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৩ সালের পর থেকে হাসপাতালটি তাদের অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নবায়ন করেনি। এছাড়া অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বিধি লঙ্ঘন করেছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শাহজাহান সিকদার বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ২০২৩ সালের পর থেকে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেনি। একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তিন মাসের মধ্যে ফায়ার সেফটি প্ল্যান জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়েও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

নোটিশে বলা হয়েছিল, ফায়ার প্রিভেনশন অ্যান্ড এক্সটিংগুইশিং অ্যাক্ট, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনার আগে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তা করেনি।

তবে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের হিউম্যান রিসোর্স ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল দাবি করেন, হাসপাতালের সব নথি হালনাগাদ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সেগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভোরে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি রমনা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আদ-দ্বীন হাসপাতালের বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস

আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

গত সপ্তাহে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আলোচনায় আসা আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই এবং কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যানও জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৩ সালের পর থেকে হাসপাতালটি তাদের অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নবায়ন করেনি। এছাড়া অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বিধি লঙ্ঘন করেছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শাহজাহান সিকদার বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ২০২৩ সালের পর থেকে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেনি। একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তিন মাসের মধ্যে ফায়ার সেফটি প্ল্যান জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়েও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

নোটিশে বলা হয়েছিল, ফায়ার প্রিভেনশন অ্যান্ড এক্সটিংগুইশিং অ্যাক্ট, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনার আগে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তা করেনি।

তবে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের হিউম্যান রিসোর্স ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল দাবি করেন, হাসপাতালের সব নথি হালনাগাদ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সেগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভোরে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি রমনা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলছে।