ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

দালালমুক্ত ও জনবান্ধব ভূমি সেবায় আস্থার প্রতীক এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান


গোলাম সারওয়ার সজল :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / ২১১৭ বার পড়া হয়েছে

ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে সাভারের আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলে। দালালের দৌরাত্ম্য হ্রাস, হয়রানিমুক্ত পরিবেশ এবং দ্রুততম সময়ে ই-নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ ভূমি সেবাপ্রত্যাশীদের আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছেন আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান।

গত কয়েক মাসে তাঁর নেতৃত্বে ভূমি অফিসে সেবা কার্যক্রমে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। স্থানীয়দের মতে, এক সময় যেখানে একটি নামজারি বা ভূমি সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হতো, সেখানে এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ আবেদন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে আমিন বাজার ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, আবেদন ও সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান। মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই সরাসরি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী, নারী ও বয়স্ক নাগরিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ভূমি সেবা নিতে আসা কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগে একটি নামজারি সম্পন্ন করতে কিংবা পর্চা সংগ্রহ করতে মাসের পর মাস অফিসে ঘুরতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি নির্ধারিত ফি-র বাইরে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে না। পাশাপাশি কোনো আবেদনে ত্রুটি থাকলে তা সেবাগ্রহীতাকে বুঝিয়ে দ্রুত সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

একজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, “আগে ভূমি অফিসে গেলে নানা ধরনের ঝামেলা ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হতো। এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এসিল্যান্ড স্যার নিজেই মানুষের কথা শোনেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁর সততা ও আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

আরেকজন ভূমি মালিক বলেন, “বর্তমানে অফিসে এসে কোনো দালালের খোঁজ করতে হয় না। নিয়ম মেনে আবেদন করলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে।”

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, “ভূমি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। কোনো মানুষ যেন ভূমি অফিসে এসে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমিন বাজার ভূমি অফিসকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত ও সেবাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনবান্ধব মনোভাব, সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে শাহাদাত হোসেন খান ভূমি সেবায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা মনে করেন, তাঁর মতো দক্ষ ও সেবামুখী কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালন করলে সরকারের ডিজিটাল ও স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য আরও দ্রুত অর্জিত হবে।

সেবাপ্রত্যাশীদের প্রত্যাশা, বর্তমান ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আমিন বাজার ভূমি অফিস সাধারণ মানুষের জন্য একটি আদর্শ ও অনুসরণীয় সেবাকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

দালালমুক্ত ও জনবান্ধব ভূমি সেবায় আস্থার প্রতীক এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে সাভারের আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলে। দালালের দৌরাত্ম্য হ্রাস, হয়রানিমুক্ত পরিবেশ এবং দ্রুততম সময়ে ই-নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ ভূমি সেবাপ্রত্যাশীদের আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছেন আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান।

গত কয়েক মাসে তাঁর নেতৃত্বে ভূমি অফিসে সেবা কার্যক্রমে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। স্থানীয়দের মতে, এক সময় যেখানে একটি নামজারি বা ভূমি সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হতো, সেখানে এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ আবেদন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে আমিন বাজার ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, আবেদন ও সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান। মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই সরাসরি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী, নারী ও বয়স্ক নাগরিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ভূমি সেবা নিতে আসা কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগে একটি নামজারি সম্পন্ন করতে কিংবা পর্চা সংগ্রহ করতে মাসের পর মাস অফিসে ঘুরতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি নির্ধারিত ফি-র বাইরে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে না। পাশাপাশি কোনো আবেদনে ত্রুটি থাকলে তা সেবাগ্রহীতাকে বুঝিয়ে দ্রুত সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

একজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, “আগে ভূমি অফিসে গেলে নানা ধরনের ঝামেলা ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হতো। এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এসিল্যান্ড স্যার নিজেই মানুষের কথা শোনেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁর সততা ও আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

আরেকজন ভূমি মালিক বলেন, “বর্তমানে অফিসে এসে কোনো দালালের খোঁজ করতে হয় না। নিয়ম মেনে আবেদন করলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে।”

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, “ভূমি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। কোনো মানুষ যেন ভূমি অফিসে এসে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমিন বাজার ভূমি অফিসকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত ও সেবাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনবান্ধব মনোভাব, সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে শাহাদাত হোসেন খান ভূমি সেবায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা মনে করেন, তাঁর মতো দক্ষ ও সেবামুখী কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালন করলে সরকারের ডিজিটাল ও স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য আরও দ্রুত অর্জিত হবে।

সেবাপ্রত্যাশীদের প্রত্যাশা, বর্তমান ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আমিন বাজার ভূমি অফিস সাধারণ মানুষের জন্য একটি আদর্শ ও অনুসরণীয় সেবাকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।