ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

রোগীর স্বজন ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঔদ্ধত্য নিয়ে ক্ষোভ


সেলিম আহম্মেদ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৭৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজন ও এক সাংবাদিকের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার এবং প্রেসক্রিপশন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত ১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. ইন্দ্রজিৎ জোয়াদ্দার চিকিৎসা নিতে আসা এক মুমূর্ষু রোগীর স্বজনদের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি রোগীর স্বজনদের প্রতি চরম অসৌজন্যমূলক ও অমানবিক আচরণ করতে থাকেন।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সাংবাদিক ইয়াসিন আরাফাত। জরুরি বিভাগের মতো সংবেদনশীল স্থানে এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখে এবং রোগীর স্বজনদের অনুরোধে তিনি বিষয়টি শান্ত করার জন্য মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেন। তিনি চিকিৎসককে সংযত আচরণ এবং রোগীদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।

অভিযোগ রয়েছে, এতে চিকিৎসক আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিকের উপস্থিতিতেই রোগীর চিকিৎসার জন্য লিখিত প্রেসক্রিপশনটি ছিঁড়ে ফেলেন। একই সঙ্গে তিনি অকথ্য ও আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন, যা উপস্থিত সবার মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একজন সরকারি চিকিৎসকের কাছ থেকে এমন আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত। তারা বলেন, “সরকারি হাসপাতালে যদি চিকিৎসকদের কাছ থেকেই এমন দুর্ব্যবহার পেতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এ ধরনের আচরণই মানুষকে বেসরকারি ক্লিনিকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

রোগীর স্বজন ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঔদ্ধত্য নিয়ে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজন ও এক সাংবাদিকের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার এবং প্রেসক্রিপশন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত ১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. ইন্দ্রজিৎ জোয়াদ্দার চিকিৎসা নিতে আসা এক মুমূর্ষু রোগীর স্বজনদের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি রোগীর স্বজনদের প্রতি চরম অসৌজন্যমূলক ও অমানবিক আচরণ করতে থাকেন।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সাংবাদিক ইয়াসিন আরাফাত। জরুরি বিভাগের মতো সংবেদনশীল স্থানে এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখে এবং রোগীর স্বজনদের অনুরোধে তিনি বিষয়টি শান্ত করার জন্য মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেন। তিনি চিকিৎসককে সংযত আচরণ এবং রোগীদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।

অভিযোগ রয়েছে, এতে চিকিৎসক আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিকের উপস্থিতিতেই রোগীর চিকিৎসার জন্য লিখিত প্রেসক্রিপশনটি ছিঁড়ে ফেলেন। একই সঙ্গে তিনি অকথ্য ও আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন, যা উপস্থিত সবার মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একজন সরকারি চিকিৎসকের কাছ থেকে এমন আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত। তারা বলেন, “সরকারি হাসপাতালে যদি চিকিৎসকদের কাছ থেকেই এমন দুর্ব্যবহার পেতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এ ধরনের আচরণই মানুষকে বেসরকারি ক্লিনিকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন