ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

৮ বছর পর চলাচলের রাস্তা পেল গৃহবন্দি পরিবার, ‎সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্যোগ, সমাধানে ইউএনও


নিজস্ব প্রতিবেদ :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৮২ বার পড়া হয়েছে

সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের নগরচর ভরারী এলাকায় প্রায় আট বছর ধরে অন্যের বাড়ির ভেতর দিয়ে চলাচল করতে থাকা একটি পরিবারের জন্য অবশেষে বের হলো চলাচলের রাস্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবারটির দুর্ভোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে সাভার উপজেলা প্রশাসনের। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সোমবার বিকেলে সমস্যাটির সমাধানে উদ্যোগ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

‎ঘটনাটি সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার নগরচর ভরারী মহল্লায়।

‎ভুক্তভোগী পরিবারটির কর্তা আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী রাশিদা বেগম। তাদের বাড়িতে ছেলে রাজিব ও পুত্রবধূ মিম আক্তারও থাকেন। রাজিব একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

‎পরিবারটির দাবি, ঝালকাঠি সদর উপজেলার মানপয়সা গ্রামের বাসিন্দা আনিসুর রহমান ১৯৯৫ সালে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় চার শতাংশ জমি কিনে সেখানে বসতি গড়েন। বাড়ির পাশেই তখন চলাচলের রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে সেই রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের অন্যের বাড়ির ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে হতো।

‎আনিসুর রহমান বলেন, “প্রায় আট বছর ধরে অন্যের বাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে।”

‎দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের নজরে আসে। পরে সোমবার বিকেলে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখেন।

‎এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও পরিবারটির চলাচলের রাস্তার ব্যবস্থা করতে উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন। তাদের সহযোগিতায় দ্রুত সমস্যাটির সমাধানের পথ বের করা হয় বলে জানা গেছে।

‎স্থানীয়দের সহযোগিতা ও প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের চলাচলের সংকটের সমাধান হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে পরিবারটিতে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

৮ বছর পর চলাচলের রাস্তা পেল গৃহবন্দি পরিবার, ‎সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্যোগ, সমাধানে ইউএনও

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের নগরচর ভরারী এলাকায় প্রায় আট বছর ধরে অন্যের বাড়ির ভেতর দিয়ে চলাচল করতে থাকা একটি পরিবারের জন্য অবশেষে বের হলো চলাচলের রাস্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবারটির দুর্ভোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে সাভার উপজেলা প্রশাসনের। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সোমবার বিকেলে সমস্যাটির সমাধানে উদ্যোগ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

‎ঘটনাটি সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার নগরচর ভরারী মহল্লায়।

‎ভুক্তভোগী পরিবারটির কর্তা আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী রাশিদা বেগম। তাদের বাড়িতে ছেলে রাজিব ও পুত্রবধূ মিম আক্তারও থাকেন। রাজিব একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

‎পরিবারটির দাবি, ঝালকাঠি সদর উপজেলার মানপয়সা গ্রামের বাসিন্দা আনিসুর রহমান ১৯৯৫ সালে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় চার শতাংশ জমি কিনে সেখানে বসতি গড়েন। বাড়ির পাশেই তখন চলাচলের রাস্তা ছিল। পরবর্তী সময়ে সেই রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের অন্যের বাড়ির ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে হতো।

‎আনিসুর রহমান বলেন, “প্রায় আট বছর ধরে অন্যের বাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে।”

‎দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের নজরে আসে। পরে সোমবার বিকেলে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখেন।

‎এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও পরিবারটির চলাচলের রাস্তার ব্যবস্থা করতে উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন। তাদের সহযোগিতায় দ্রুত সমস্যাটির সমাধানের পথ বের করা হয় বলে জানা গেছে।

‎স্থানীয়দের সহযোগিতা ও প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের চলাচলের সংকটের সমাধান হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে পরিবারটিতে।