ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন
সারাদেশ

মহাসড়কের আলোকসজ্জায় উইন্ড টারবাইন, লক্ষ্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎসাহ


গোলাম সারওয়ার সজল :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৯৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশ থেকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা বর্জ্য অপসারণের পর সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে সবুজ বাগান। নতুন করে বর্জ্য ফেলা ঠেকাতে স্থাপন করা হয়েছে স্টিলের ফেন্সিং। এবার সেই বাগানের আলোকসজ্জায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সাভার উপজেলা প্রশাসন। এ জন্য স্থাপন করা হবে দুটি উইন্ড টারবাইন।

 

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন ও উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

তিনি বলেন, নতুন করে বর্জ্য ফেলা ঠেকাতে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্টিলের ফেন্সিং স্থাপন করা হয়েছে। রাতে দুর্ঘটনা এড়াতে এই বেড়ার সীমানা দৃশ্যমান রাখার জন্য আলোকসজ্জা প্রয়োজন। তবে এ কাজে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার না করে নবায়নযোগ্য উৎসের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি উইন্ড টারবাইন স্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়েই আলোকসজ্জা করা হবে।

 

সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকায় ভিভিআইপি ও বিদেশি অতিথিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। তাদের কাছেও স্থানীয় পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগটি একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষও যেন নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে আগ্রহী হন, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

 

সোলার প্যানেলের পরিবর্তে উইন্ড টারবাইন বেছে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে সৌরবিদ্যুৎ ইতোমধ্যেই বেশ পরিচিত। মহাসড়কের পাশে সোলার প্যানেল নতুন করে মানুষের তেমন মনোযোগ আকর্ষণ করবে না। বিপরীতে তুলনামূলক কম পরিচিত উইন্ড টারবাইন সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি ওই এলাকায় সারা বছর পর্যাপ্ত বায়ুপ্রবাহ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

উপজেলা প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচাগামী লেনের বলিয়ারপুর ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফেন্সিং ও বৃক্ষরোপণ করা হবে। এর মধ্যে প্রথম দেড় কিলোমিটার অংশে থাকবে আলোকসজ্জা।

 

এই অংশে ছয় শতাধিক বাতি স্থাপন করা হবে, যা দুটি উইন্ড টারবাইন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে জ্বলবে। পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রায় সাত হাজার সুপারি, নিম ও তালের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। অর্থ ব্যয় হবে উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে। এর মধ্যে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি উইন্ড টারবাইন স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ লাখ টাকা।

 

বর্জ্যের স্তূপ থেকে সবুজ বাগান

 

একসময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বলিয়ারপুর ভাঙ্গাব্রিজ এলাকার পাশ দিয়ে যানবাহনে চলাচলের সময়ও দুর্গন্ধের কারণে নাক চেপে যেতে হতো। দীর্ঘদিনের সেই ময়লার ভাগাড়ের চেহারা এখন বদলে গেছে। সেখানে সারি সারি সুপারি, নিম ও তালের চারা শোভা পাচ্ছে।

 

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের একপাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইতোমধ্যে ফেন্সিং ও বৃক্ষরোপণের কাজ শেষ হয়েছে। কয়েকজন নারী শ্রমিক গাছের পরিচর্যা করছেন। অন্যদিকে পুরুষ শ্রমিকদের স্টিলের ফেন্সিংয়ে রং করা এবং বাগানের সীমানা পাকা করার কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। স্টিলের বেড়ায় দেওয়া হচ্ছে সবুজ রঙের প্রলেপ।

 

সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সুপারি ও নিমগাছ বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সাইফুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কের পাশে এমন গাছ প্রয়োজন, যেগুলো থেকে ঘন ঝোপঝাড় তৈরি হবে না। বড় গাছ লাগালে ঝড়ের সময় ডাল ভেঙে সড়কে পড়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির ঝুঁকি থাকে। আবার ঘন ঝোপঝাড় অপরাধীদের আড়াল হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। এসব বিবেচনায় সুপারি গাছ বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে নিমগাছ রোপণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পটি যেন শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সেখানে একটি রক্ষণাবেক্ষণ কক্ষ নির্মাণ করা হবে। সার্বক্ষণিক দুজন কর্মী নিয়োজিত থাকবেন, যারা রোপণ করা গাছের পরিচর্যার পাশাপাশি পুরো এলাকার দেখভাল করবেন।

 

সাইফুল ইসলাম বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা ও আগ্রহ এখনো তুলনামূলক কম। সরকার বিভিন্ন সুবিধা দিলেও সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে প্রত্যাশিত আগ্রহ তৈরি হয়নি।

 

স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগ কিছু মানুষকেও যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলেই উদ্যোগটি সার্থক হবে বলে মনে করেন তিনি।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

মহাসড়কের আলোকসজ্জায় উইন্ড টারবাইন, লক্ষ্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎসাহ

আপডেট সময় : ০৭:৪০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশ থেকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা বর্জ্য অপসারণের পর সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে সবুজ বাগান। নতুন করে বর্জ্য ফেলা ঠেকাতে স্থাপন করা হয়েছে স্টিলের ফেন্সিং। এবার সেই বাগানের আলোকসজ্জায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সাভার উপজেলা প্রশাসন। এ জন্য স্থাপন করা হবে দুটি উইন্ড টারবাইন।

 

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন ও উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

তিনি বলেন, নতুন করে বর্জ্য ফেলা ঠেকাতে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্টিলের ফেন্সিং স্থাপন করা হয়েছে। রাতে দুর্ঘটনা এড়াতে এই বেড়ার সীমানা দৃশ্যমান রাখার জন্য আলোকসজ্জা প্রয়োজন। তবে এ কাজে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার না করে নবায়নযোগ্য উৎসের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি উইন্ড টারবাইন স্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়েই আলোকসজ্জা করা হবে।

 

সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকায় ভিভিআইপি ও বিদেশি অতিথিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। তাদের কাছেও স্থানীয় পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগটি একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষও যেন নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে আগ্রহী হন, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

 

সোলার প্যানেলের পরিবর্তে উইন্ড টারবাইন বেছে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে সৌরবিদ্যুৎ ইতোমধ্যেই বেশ পরিচিত। মহাসড়কের পাশে সোলার প্যানেল নতুন করে মানুষের তেমন মনোযোগ আকর্ষণ করবে না। বিপরীতে তুলনামূলক কম পরিচিত উইন্ড টারবাইন সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি ওই এলাকায় সারা বছর পর্যাপ্ত বায়ুপ্রবাহ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

উপজেলা প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচাগামী লেনের বলিয়ারপুর ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফেন্সিং ও বৃক্ষরোপণ করা হবে। এর মধ্যে প্রথম দেড় কিলোমিটার অংশে থাকবে আলোকসজ্জা।

 

এই অংশে ছয় শতাধিক বাতি স্থাপন করা হবে, যা দুটি উইন্ড টারবাইন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে জ্বলবে। পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রায় সাত হাজার সুপারি, নিম ও তালের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। অর্থ ব্যয় হবে উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে। এর মধ্যে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি উইন্ড টারবাইন স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ লাখ টাকা।

 

বর্জ্যের স্তূপ থেকে সবুজ বাগান

 

একসময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বলিয়ারপুর ভাঙ্গাব্রিজ এলাকার পাশ দিয়ে যানবাহনে চলাচলের সময়ও দুর্গন্ধের কারণে নাক চেপে যেতে হতো। দীর্ঘদিনের সেই ময়লার ভাগাড়ের চেহারা এখন বদলে গেছে। সেখানে সারি সারি সুপারি, নিম ও তালের চারা শোভা পাচ্ছে।

 

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের একপাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইতোমধ্যে ফেন্সিং ও বৃক্ষরোপণের কাজ শেষ হয়েছে। কয়েকজন নারী শ্রমিক গাছের পরিচর্যা করছেন। অন্যদিকে পুরুষ শ্রমিকদের স্টিলের ফেন্সিংয়ে রং করা এবং বাগানের সীমানা পাকা করার কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। স্টিলের বেড়ায় দেওয়া হচ্ছে সবুজ রঙের প্রলেপ।

 

সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সুপারি ও নিমগাছ বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সাইফুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কের পাশে এমন গাছ প্রয়োজন, যেগুলো থেকে ঘন ঝোপঝাড় তৈরি হবে না। বড় গাছ লাগালে ঝড়ের সময় ডাল ভেঙে সড়কে পড়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির ঝুঁকি থাকে। আবার ঘন ঝোপঝাড় অপরাধীদের আড়াল হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। এসব বিবেচনায় সুপারি গাছ বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে নিমগাছ রোপণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পটি যেন শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সেখানে একটি রক্ষণাবেক্ষণ কক্ষ নির্মাণ করা হবে। সার্বক্ষণিক দুজন কর্মী নিয়োজিত থাকবেন, যারা রোপণ করা গাছের পরিচর্যার পাশাপাশি পুরো এলাকার দেখভাল করবেন।

 

সাইফুল ইসলাম বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা ও আগ্রহ এখনো তুলনামূলক কম। সরকার বিভিন্ন সুবিধা দিলেও সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে প্রত্যাশিত আগ্রহ তৈরি হয়নি।

 

স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগ কিছু মানুষকেও যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলেই উদ্যোগটি সার্থক হবে বলে মনে করেন তিনি।