ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

গোমস্তাপুর থানাকে ঘিরে পরপর অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন


স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৬৩ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানাকে ঘিরে এক মাসের ব্যবধানে ওঠা দুটি পৃথক অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা ও তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে পাশে বসিয়ে ওসি নূরে আলমের বৈঠকের অভিযোগ, অন্যদিকে বিএনপি নেতা মো. সাদেক আলীকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার।

গত ১৬ আগস্ট ওসি নূরে আলমের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা জান্নাতুল ফেরদৌস মধুকে পাশে বসিয়ে বৈঠকের অভিযোগ তোলে স্থানীয় বিএনপি। ওসি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চেয়ার ফাঁকা থাকায় ওই ব্যক্তিকে সেখানে বসানো হয়েছিল।

এরপর সাদেক আলীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন অভিযোগ সামনে আসে। তাঁর পরিবারের দাবি, জমিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে গিয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাকিল দুই লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন। তদন্ত কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পুলিশের দাবি, সাদেকের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; অভিযোগের সত্যতা আদালতে নির্ধারিত হবে। টাকা দাবির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—জমিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত কীভাবে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গড়াল? সাদেকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথিত প্রমাণ কী? আর দুই লাখ টাকা দাবির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হবে কি না?

দুটি ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্রের প্রমাণ প্রকাশ্যে নেই। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে একই থানাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো পুলিশের তদন্ত ও জবাবদিহির বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

গোমস্তাপুর থানাকে ঘিরে পরপর অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১০:৫৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানাকে ঘিরে এক মাসের ব্যবধানে ওঠা দুটি পৃথক অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা ও তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে পাশে বসিয়ে ওসি নূরে আলমের বৈঠকের অভিযোগ, অন্যদিকে বিএনপি নেতা মো. সাদেক আলীকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার।

গত ১৬ আগস্ট ওসি নূরে আলমের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা জান্নাতুল ফেরদৌস মধুকে পাশে বসিয়ে বৈঠকের অভিযোগ তোলে স্থানীয় বিএনপি। ওসি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চেয়ার ফাঁকা থাকায় ওই ব্যক্তিকে সেখানে বসানো হয়েছিল।

এরপর সাদেক আলীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন অভিযোগ সামনে আসে। তাঁর পরিবারের দাবি, জমিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে গিয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাকিল দুই লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন। তদন্ত কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পুলিশের দাবি, সাদেকের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; অভিযোগের সত্যতা আদালতে নির্ধারিত হবে। টাকা দাবির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—জমিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত কীভাবে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গড়াল? সাদেকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথিত প্রমাণ কী? আর দুই লাখ টাকা দাবির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হবে কি না?

দুটি ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্রের প্রমাণ প্রকাশ্যে নেই। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে একই থানাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো পুলিশের তদন্ত ও জবাবদিহির বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।