ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

প্রাইভেট সিন্ডিকেটে জিম্মি উত্তরাঞ্চলের আলুচাষিরা


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪
  • / ২১০১ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের শুরু থেকে আলুর দাম ঊর্ধ্বমুখী। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় দাম দ্বিগুণ, ক্ষেত্র বিশেষে তিনগুণ বেড়েছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করতে পারছে না বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। এই সুযোগে চাষিদের জিম্মি করে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বীজ আলুর দাম দ্বিগুণ বাড়িয়েছে। এতে বীজ আলু সংকটে হাহাকারে উত্তরাঞ্চলের চাষিরা। সংকট নিরসনের চেষ্টা চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসকরা।

উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর জেলায় বেশি আলুর আবাদ হয়। আমন কাটা-মাড়াই শুরুর সঙ্গে সঙ্গে আলু আবাদে জমি প্রস্তুত করেছেন চাষিরা। মজুদ করেছেন অগ্রিম সার ও সেচের ব্যবস্থা । কিন্তু বীজ সংকটে রোপণ করতে পারছেন না। তারা বলছেন, সরকারি সংস্থা বিএডিসির বীজ বরাদ্দ গতবারের তুলনায় কম। এই বীজের চাহিদা বেশি হলেও অধিকাংশ চাষি পাচ্ছেন না। বিএডিসির ডিলাররা বরাদ্দ তুলে গুদামের বাইরে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এসব বীজ ফড়িয়াদের মাধ্যমে খুচরা ডিলারের দোকানে চলে যাচ্ছে। এতে এই বীজ চাষিদের কিনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দামে।

বিএডিসি রাজশাহী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাজশাহীর চার জেলায় বিএডিসির ডিলারদের জন্য বিভিন্ন জাতের ৪৩৩ টন বীজ আলু বরাদ্দ হয়েছে। অন্যদিকে সরাসরি বিক্রিসহ মোট বরাদ্দের পরিমাণ ২ হাজার ৭২৮ টন। অথচ এই চার জেলায় বীজ আলুর চাহিদা ১ লাখ ৭২ হাজার টন। রংপুরের পাঁচ জেলার জন্য ২ হাজার ৭৯৭ টন সরকারি বীজ আলু বরাদ্দ। যদিও চাহিদা ১ লাখ ৬৭ হাজার টন। আর বিএডিসি বগুড়া অঞ্চলের দুই জেলার জন্য ৬ হাজার ৩৫০ টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য থেকে ৯৫৫ টন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও এনজিওর মাধ্যমে বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অথচ শুধু বগুড়া জেলাতেই ৫৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই পরিমাণ জমিতে আলু আবাদে ৮৫ টন বীজ আলুর প্রয়োজন।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মৌসুমে বীজ আলু বিক্রি হয়েছিল ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে। আর ব্র্যাক ও এসিআইসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কোম্পানি থেকে প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকা দরে কেনা গেছে। কিন্তু এবার ব্র্যাকসহ অন্য কোম্পানিগুলো থেকে বীজ আলু প্রতি কেজি কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা দরে। একই বীজ ডিলাররা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকা কেজি দরে। এসব কোম্পানির বি- গ্রেডের বীজও বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা দরে। গত বছর এসব বীজ ছিল ৬০-৬৫ টাকা।

তানোরের লুৎফর রহমান এবার দেড়শ বিঘা জমিতে আলু চাষের প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু বীজ সংকটে লাগাতে পারেননি। তিনি বলেন, বীজের জন্য রাজশাহীজুড়ে চাষিদের মাঝে হাহাকার চলছে। ব্র্যাক থেকে আড়াই হাজার কেজি বীজের জন্য ডিলারকে অগ্রিম টাকা দিয়েও পাননি।

আরেক আলুচাষি হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, প্রাইভেট মজুতদাররা বীজ আলু হিমাগার থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করছেন। এতে কোম্পানি ও ডিলারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন চাষিরা। এ ব্যাপারে ব্র্যাকের মার্কেটিংয়ের দায়িত্বে থাকা আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রাজশাহী অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি আলু আবাদ হয় বগুড়াতে। চলতি মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। এসব জেলায় হেক্টরপ্রতি ২৭ টন ফলন হিসাবে ৯৮ লাখ ৫৫ হাজার টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চলে আলু আবাদের প্রস্তুতি ভালোভাবে শুরু হয়েছে। দুয়েক জায়গায় বীজের সংকটের কথা শুনেছি। হিমাগারগুলোতে পর্যাপ্ত বীজ আলু রয়েছে, আবাদে সমস্যা হবে না। তিনি জানান, চলতি মৌসুমে শুধু উত্তরাঞ্চলেই ৯৮ লাখ থেকে ১ কোটি টন আলু ফলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাষিরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরকারি আলু বীজ সরবরাহ অপ্রতুল। কিছু বাণিজ্যিক চাষির বীজ সংরক্ষিত আছে হিমাগারে। কিন্তু হাজার হাজার প্রান্তিক চাষিকে নির্ভর করতে হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির সরবরাহকৃত বীজের ওপর। অভিযোগ উঠেছে, আলু বীজের সংকট পরিস্থিতিতে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন কোম্পানি বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। এই সংকট পুঁজি করে বিএডিসি ও বিভিন্ন কোম্পানির স্থানীয় ডিলালরাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দাম আদায় করছেন। আবার ব্র্যাকের ডিলাররা বীজ আলু দিতে না পেরে চাষিদের ফোনও ধরছেন না।

রাজশাহী জেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, আলু বীজ সংকটের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিএডিসি, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, হিমাগার মালিক ও বীজ বিপণনকারী বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়ে মিটিং করেছি। তারাও সংকট নিরসনে মাঠে কাজ করছেন। আশা করি বীজ সংকট থাকবে না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

প্রাইভেট সিন্ডিকেটে জিম্মি উত্তরাঞ্চলের আলুচাষিরা

আপডেট সময় : ১২:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

চলতি বছরের শুরু থেকে আলুর দাম ঊর্ধ্বমুখী। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় দাম দ্বিগুণ, ক্ষেত্র বিশেষে তিনগুণ বেড়েছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করতে পারছে না বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। এই সুযোগে চাষিদের জিম্মি করে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বীজ আলুর দাম দ্বিগুণ বাড়িয়েছে। এতে বীজ আলু সংকটে হাহাকারে উত্তরাঞ্চলের চাষিরা। সংকট নিরসনের চেষ্টা চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসকরা।

উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর জেলায় বেশি আলুর আবাদ হয়। আমন কাটা-মাড়াই শুরুর সঙ্গে সঙ্গে আলু আবাদে জমি প্রস্তুত করেছেন চাষিরা। মজুদ করেছেন অগ্রিম সার ও সেচের ব্যবস্থা । কিন্তু বীজ সংকটে রোপণ করতে পারছেন না। তারা বলছেন, সরকারি সংস্থা বিএডিসির বীজ বরাদ্দ গতবারের তুলনায় কম। এই বীজের চাহিদা বেশি হলেও অধিকাংশ চাষি পাচ্ছেন না। বিএডিসির ডিলাররা বরাদ্দ তুলে গুদামের বাইরে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এসব বীজ ফড়িয়াদের মাধ্যমে খুচরা ডিলারের দোকানে চলে যাচ্ছে। এতে এই বীজ চাষিদের কিনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দামে।

বিএডিসি রাজশাহী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাজশাহীর চার জেলায় বিএডিসির ডিলারদের জন্য বিভিন্ন জাতের ৪৩৩ টন বীজ আলু বরাদ্দ হয়েছে। অন্যদিকে সরাসরি বিক্রিসহ মোট বরাদ্দের পরিমাণ ২ হাজার ৭২৮ টন। অথচ এই চার জেলায় বীজ আলুর চাহিদা ১ লাখ ৭২ হাজার টন। রংপুরের পাঁচ জেলার জন্য ২ হাজার ৭৯৭ টন সরকারি বীজ আলু বরাদ্দ। যদিও চাহিদা ১ লাখ ৬৭ হাজার টন। আর বিএডিসি বগুড়া অঞ্চলের দুই জেলার জন্য ৬ হাজার ৩৫০ টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য থেকে ৯৫৫ টন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও এনজিওর মাধ্যমে বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অথচ শুধু বগুড়া জেলাতেই ৫৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই পরিমাণ জমিতে আলু আবাদে ৮৫ টন বীজ আলুর প্রয়োজন।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মৌসুমে বীজ আলু বিক্রি হয়েছিল ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে। আর ব্র্যাক ও এসিআইসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কোম্পানি থেকে প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকা দরে কেনা গেছে। কিন্তু এবার ব্র্যাকসহ অন্য কোম্পানিগুলো থেকে বীজ আলু প্রতি কেজি কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা দরে। একই বীজ ডিলাররা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকা কেজি দরে। এসব কোম্পানির বি- গ্রেডের বীজও বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা দরে। গত বছর এসব বীজ ছিল ৬০-৬৫ টাকা।

তানোরের লুৎফর রহমান এবার দেড়শ বিঘা জমিতে আলু চাষের প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু বীজ সংকটে লাগাতে পারেননি। তিনি বলেন, বীজের জন্য রাজশাহীজুড়ে চাষিদের মাঝে হাহাকার চলছে। ব্র্যাক থেকে আড়াই হাজার কেজি বীজের জন্য ডিলারকে অগ্রিম টাকা দিয়েও পাননি।

আরেক আলুচাষি হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, প্রাইভেট মজুতদাররা বীজ আলু হিমাগার থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করছেন। এতে কোম্পানি ও ডিলারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন চাষিরা। এ ব্যাপারে ব্র্যাকের মার্কেটিংয়ের দায়িত্বে থাকা আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রাজশাহী অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি আলু আবাদ হয় বগুড়াতে। চলতি মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। এসব জেলায় হেক্টরপ্রতি ২৭ টন ফলন হিসাবে ৯৮ লাখ ৫৫ হাজার টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চলে আলু আবাদের প্রস্তুতি ভালোভাবে শুরু হয়েছে। দুয়েক জায়গায় বীজের সংকটের কথা শুনেছি। হিমাগারগুলোতে পর্যাপ্ত বীজ আলু রয়েছে, আবাদে সমস্যা হবে না। তিনি জানান, চলতি মৌসুমে শুধু উত্তরাঞ্চলেই ৯৮ লাখ থেকে ১ কোটি টন আলু ফলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাষিরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরকারি আলু বীজ সরবরাহ অপ্রতুল। কিছু বাণিজ্যিক চাষির বীজ সংরক্ষিত আছে হিমাগারে। কিন্তু হাজার হাজার প্রান্তিক চাষিকে নির্ভর করতে হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির সরবরাহকৃত বীজের ওপর। অভিযোগ উঠেছে, আলু বীজের সংকট পরিস্থিতিতে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন কোম্পানি বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। এই সংকট পুঁজি করে বিএডিসি ও বিভিন্ন কোম্পানির স্থানীয় ডিলালরাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দাম আদায় করছেন। আবার ব্র্যাকের ডিলাররা বীজ আলু দিতে না পেরে চাষিদের ফোনও ধরছেন না।

রাজশাহী জেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, আলু বীজ সংকটের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিএডিসি, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, হিমাগার মালিক ও বীজ বিপণনকারী বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়ে মিটিং করেছি। তারাও সংকট নিরসনে মাঠে কাজ করছেন। আশা করি বীজ সংকট থাকবে না।