ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্ঘটনার কবলে আগরতলা-ঢাকা বাস, হামলা নয়


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ২১২৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা পথে চলাচলকারি শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চান্দিয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাসটি ওভারটেকজনিত কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালক সামান্য আহত হন। তবে বাসের যাত্রীরা অক্ষত ছিলেন।

জানা যায়, বাসটি শনিবার সকাল ১১টার দিকে আগরতলা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বেলার ১২টার দিকে বাসটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চান্দিয়ারা এলাকায় আসার পর একটি ট্রাক ওভারটেক করতে চায়। এ সময় বাসটি ইমার্জেন্সি ব্রেক কষে থামানোর চেষ্টা করে ও সড়কের একপাশে সরে পড়ে। এ সময় পিছনে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বাসে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশাটি বাসে আটকে যায়। সামান্য ব্যথা পান অটোরিকশার চালক ইব্রাহিম। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যান। পরে একটি রেকার এসে বাস থেকে অটোরিকশাটিকে সরিয়ে দেয়। প্রায় দেড় ঘন্টা পর বাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বাসটিতে ভারতীয়সহ ২৬ জন যাত্রী ছিলো। পরে বাসটি রাতে ঢাকায় পৌঁছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিভিন্ন মিডিয়া খবর প্রচার করে বলে, বাসটিকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে দুর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক।

বাসের চালক মো. আসাদুল হক বলেন, একটি ট্রাক ওভারটেক করতে গেলে আমি ইমার্জেন্সি ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যাই। এ সময় পিছনে থাকা একটি অটোরিকশা ধাক্কা লাগে। এতে অটোরিকশাটি বাসের পিছনে আটকে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে নেমে একটি রেকার আনার ব্যবস্থা করে অটোরিকশাকে সরিয়ে নেই। বিষয়টি হাইওয়ে থানা পুলিশকেও অবহিত করা হয়। পুলিশ আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ পত্র দেখে চলে যেতে বলে। দুর্ঘটনায় বাসের কোনো ক্ষতি হয়নি কিংবা যাত্রীরা আঘাতপ্রাপ্ত হননি।


খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মো. মারগুব তৌহিদ বলেন, তেমন বড় ধরণের কিছু হয়নি। দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক সামান্য আহত হন। বাসের চালক ও অটোরিকশা চালকের মধ্যে সমঝোতা করে যে যার মতো চলে গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন জানান, ত্রিপুরা রাজধানী আগরতলা থেকে আন্তঃদেশীর শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস চলাচল করে। দুপুরে সদর উপজেলার চান্দিয়ারা এলাকায় এই বাসটি দুর্ঘটনার কাবলে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রং দেওয়া হচ্ছে, যা আজও সত্য নয়। এটা নিচক একটা নরমাল দুর্ঘটনা। এখানে সাম্প্রদায়িক গন্ধ খোঁজার কোন সুযোগ নেই।


তিনি আরো জানান, এই সড়কটি ভারতীয় একটি কোম্পানি নির্মাণ কাজ করছে। এই সড়কের এক লেনে যান চলাচল করে। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায় সময় ঘটে থাকে। দুর্ঘটনার পর তৎক্ষণাৎ শ্যামলী পরিবহন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ও ডেলিভারি ম্যান কর্তৃপক্ষের লোকজন কথা বলে নিষ্পত্তি করেন। বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়া এ দুর্ঘটনা নিয়ে রং ছড়াচ্ছেন। এটা শ্রেফ দুর্ঘটনা, কোন হামলা নয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্ঘটনার কবলে আগরতলা-ঢাকা বাস, হামলা নয়

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা পথে চলাচলকারি শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চান্দিয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাসটি ওভারটেকজনিত কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালক সামান্য আহত হন। তবে বাসের যাত্রীরা অক্ষত ছিলেন।

জানা যায়, বাসটি শনিবার সকাল ১১টার দিকে আগরতলা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বেলার ১২টার দিকে বাসটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চান্দিয়ারা এলাকায় আসার পর একটি ট্রাক ওভারটেক করতে চায়। এ সময় বাসটি ইমার্জেন্সি ব্রেক কষে থামানোর চেষ্টা করে ও সড়কের একপাশে সরে পড়ে। এ সময় পিছনে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বাসে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশাটি বাসে আটকে যায়। সামান্য ব্যথা পান অটোরিকশার চালক ইব্রাহিম। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যান। পরে একটি রেকার এসে বাস থেকে অটোরিকশাটিকে সরিয়ে দেয়। প্রায় দেড় ঘন্টা পর বাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বাসটিতে ভারতীয়সহ ২৬ জন যাত্রী ছিলো। পরে বাসটি রাতে ঢাকায় পৌঁছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিভিন্ন মিডিয়া খবর প্রচার করে বলে, বাসটিকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে দুর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক।

বাসের চালক মো. আসাদুল হক বলেন, একটি ট্রাক ওভারটেক করতে গেলে আমি ইমার্জেন্সি ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যাই। এ সময় পিছনে থাকা একটি অটোরিকশা ধাক্কা লাগে। এতে অটোরিকশাটি বাসের পিছনে আটকে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে নেমে একটি রেকার আনার ব্যবস্থা করে অটোরিকশাকে সরিয়ে নেই। বিষয়টি হাইওয়ে থানা পুলিশকেও অবহিত করা হয়। পুলিশ আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ পত্র দেখে চলে যেতে বলে। দুর্ঘটনায় বাসের কোনো ক্ষতি হয়নি কিংবা যাত্রীরা আঘাতপ্রাপ্ত হননি।


খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মো. মারগুব তৌহিদ বলেন, তেমন বড় ধরণের কিছু হয়নি। দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক সামান্য আহত হন। বাসের চালক ও অটোরিকশা চালকের মধ্যে সমঝোতা করে যে যার মতো চলে গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন জানান, ত্রিপুরা রাজধানী আগরতলা থেকে আন্তঃদেশীর শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস চলাচল করে। দুপুরে সদর উপজেলার চান্দিয়ারা এলাকায় এই বাসটি দুর্ঘটনার কাবলে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রং দেওয়া হচ্ছে, যা আজও সত্য নয়। এটা নিচক একটা নরমাল দুর্ঘটনা। এখানে সাম্প্রদায়িক গন্ধ খোঁজার কোন সুযোগ নেই।


তিনি আরো জানান, এই সড়কটি ভারতীয় একটি কোম্পানি নির্মাণ কাজ করছে। এই সড়কের এক লেনে যান চলাচল করে। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায় সময় ঘটে থাকে। দুর্ঘটনার পর তৎক্ষণাৎ শ্যামলী পরিবহন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ও ডেলিভারি ম্যান কর্তৃপক্ষের লোকজন কথা বলে নিষ্পত্তি করেন। বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়া এ দুর্ঘটনা নিয়ে রং ছড়াচ্ছেন। এটা শ্রেফ দুর্ঘটনা, কোন হামলা নয়।