ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

দুস্থদের জন্য সৌদি সরকারের পাঠানো দুম্বার মাংস গেল কার ঘরে!


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় দরিদ্র ও দুস্থদের জন্য আসা সৌদি আরবের দুম্বার মাংস বিতরণে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিগত বছরের মত এবারও সরকারিভাবে গত শনিবার ১৪ই ডিসেম্বর রাতে এতিম ও দুস্থদের জন্য ৪৭ কার্টুন দুম্বার মাংস উপজেলায় আসে এবং রাতেই বিতরণ করা হয়। ১৫ই ডিসেম্বর সকালে অফিসে পিআইও কে না পাওয়া যাওয়ায় বিতরণকালে উপস্থিত থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেনের নিকট  প্রতি কার্টুনে কত কেজি, কত পিস, কত প্যাকেট  করে দুম্বার মাংস ছিল এবং যাদের মাঝে বিতরণ করা হলো তাহার তালিকা চাইলে তালিকা দিতে অস্বীকার করে এ বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের ভিতরে বন্টন করা হয়েছে। দুম্বার মাংস বিতরণ ও তালিকার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। এমন প্রশ্নের তিনি কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এসব মাংস এতিম ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়ম থাকলেও তা সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দাল আলীর নামে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্বেচ্ছাচারিতায় বিতরণ করা হয়েছে দুম্বার মাংস। এ নিয়ে একাধিক এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানে দুম্বার মাংস বিতরণ করা হয়েছে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠান পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদের দেয়া হয়নি।

১৫ই ডিসেম্বর সকালে উপজেলা চত্তরে গিয়ে দেখা যায় খবর পেয়ে একাধিক মাদ্রাসা হতে দুম্বার মাংস   নিতে আসা ব্যক্তিরা বলেন, ‘সৌদির দুম্বার মাংসের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়নি। আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দাল আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনে  ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বরাবর ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

দুস্থদের জন্য সৌদি সরকারের পাঠানো দুম্বার মাংস গেল কার ঘরে!

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় দরিদ্র ও দুস্থদের জন্য আসা সৌদি আরবের দুম্বার মাংস বিতরণে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিগত বছরের মত এবারও সরকারিভাবে গত শনিবার ১৪ই ডিসেম্বর রাতে এতিম ও দুস্থদের জন্য ৪৭ কার্টুন দুম্বার মাংস উপজেলায় আসে এবং রাতেই বিতরণ করা হয়। ১৫ই ডিসেম্বর সকালে অফিসে পিআইও কে না পাওয়া যাওয়ায় বিতরণকালে উপস্থিত থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেনের নিকট  প্রতি কার্টুনে কত কেজি, কত পিস, কত প্যাকেট  করে দুম্বার মাংস ছিল এবং যাদের মাঝে বিতরণ করা হলো তাহার তালিকা চাইলে তালিকা দিতে অস্বীকার করে এ বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের ভিতরে বন্টন করা হয়েছে। দুম্বার মাংস বিতরণ ও তালিকার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। এমন প্রশ্নের তিনি কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এসব মাংস এতিম ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়ম থাকলেও তা সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দাল আলীর নামে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্বেচ্ছাচারিতায় বিতরণ করা হয়েছে দুম্বার মাংস। এ নিয়ে একাধিক এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানে দুম্বার মাংস বিতরণ করা হয়েছে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠান পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদের দেয়া হয়নি।

১৫ই ডিসেম্বর সকালে উপজেলা চত্তরে গিয়ে দেখা যায় খবর পেয়ে একাধিক মাদ্রাসা হতে দুম্বার মাংস   নিতে আসা ব্যক্তিরা বলেন, ‘সৌদির দুম্বার মাংসের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়নি। আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দাল আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনে  ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বরাবর ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।