ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

ধূমপান করেন স্বামী, রাগে প্রাণ দিলেন স্ত্রী


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২০৯৭ বার পড়া হয়েছে

বরগুনায় স্বামীর ধূমপান করা নিয়ে মনোমালিন্যের জেরে ফারিয়া (১৭) নামে এক গৃহবধূ কীটনাশকপানে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

নিহত ওই গৃহবধূ ময়মনসিংহের গগদা এলাকার হারেছ মিয়ার মেয়ে। স্বামী বরগুনা সদর উপজেলার আমতলী এলাকার বাসিন্দা আব্বাস বিশ্বাসের ছেলে সালমান।

জানা যায়, সালমান এবং ফারিয়া একসঙ্গে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠায় ৬ মাস আগে তারা বিয়ে করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে ফারিয়া স্বামীর সঙ্গে বরগুনায় তার শ্বশুরবাড়িতে থাকতে শুরু করেন। তবে সালমান ধূমপানে আসক্ত থাকায় ফারিয়া প্রায় সময়ই তাকে নিষেধ করতেন। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে ঘরে থাকা কীটনাশক ট্যাবলেট খান ফারিয়া। পরে পরিবারের সদস্যরা ফারিয়াকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফারিয়ার শাশুড়ি খালেদা বলেন, আমার ছেলের স্ত্রী ফারিয়া প্রায় সময়ই ছেলেকে সিগারেট খেতে নিষেধ করত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যও হত। তবে আমার ছেলে কখনো তাকে মারধর করেনি। সিগারেট খাওয়া বন্ধ না করায় মাঝে মধ্যে রাগ করে ফারিয়া মরিচ চিবিয়ে খেত। আজ সিগারেটের প্যাকেট লুকিয়ে রাখায় ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে ঘরে থাকা তরমুজ ক্ষেতে দেওয়ার কীটনাশক খায় ফারিয়া। পরে আমরা তাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বা কেউ এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জানায়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ধূমপান করেন স্বামী, রাগে প্রাণ দিলেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

বরগুনায় স্বামীর ধূমপান করা নিয়ে মনোমালিন্যের জেরে ফারিয়া (১৭) নামে এক গৃহবধূ কীটনাশকপানে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

নিহত ওই গৃহবধূ ময়মনসিংহের গগদা এলাকার হারেছ মিয়ার মেয়ে। স্বামী বরগুনা সদর উপজেলার আমতলী এলাকার বাসিন্দা আব্বাস বিশ্বাসের ছেলে সালমান।

জানা যায়, সালমান এবং ফারিয়া একসঙ্গে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠায় ৬ মাস আগে তারা বিয়ে করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে ফারিয়া স্বামীর সঙ্গে বরগুনায় তার শ্বশুরবাড়িতে থাকতে শুরু করেন। তবে সালমান ধূমপানে আসক্ত থাকায় ফারিয়া প্রায় সময়ই তাকে নিষেধ করতেন। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে ঘরে থাকা কীটনাশক ট্যাবলেট খান ফারিয়া। পরে পরিবারের সদস্যরা ফারিয়াকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফারিয়ার শাশুড়ি খালেদা বলেন, আমার ছেলের স্ত্রী ফারিয়া প্রায় সময়ই ছেলেকে সিগারেট খেতে নিষেধ করত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যও হত। তবে আমার ছেলে কখনো তাকে মারধর করেনি। সিগারেট খাওয়া বন্ধ না করায় মাঝে মধ্যে রাগ করে ফারিয়া মরিচ চিবিয়ে খেত। আজ সিগারেটের প্যাকেট লুকিয়ে রাখায় ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে ঘরে থাকা তরমুজ ক্ষেতে দেওয়ার কীটনাশক খায় ফারিয়া। পরে আমরা তাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বা কেউ এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জানায়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।