ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

শহীদ দুদু মিয়ার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান তার ওয়ারিশগণ


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২১১৩ বার পড়া হয়েছে

Oplus_132096

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে দেশ মাতৃকার টানে মাতৃভূমি কে হানাদার মুক্ত করতে ভারতে ট্রেনিং নিয়ে জন্মস্থান ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা ৮নং আমিরাবাদ ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ড সফরপুর গ্রামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন শহীদ দদু মিয়া। মুক্তিযুদ্ধে দুদু মিয়া  ইন্টেলিজেন্স উইং থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অবস্থান সনাক্ত করে হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের উপর হামলা করতেন।
যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে রাজাকার গ্রুপ তাদের এলাকায় হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ করার উদ্দিশ্যে ঢুকার খবর নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে খবর পৌঁছানোর প্রাক্কালে রাজাকারদের হামলার কাছাকাছি এসে যান, এসময় দুদু মিয়া নিজের অবস্থান লুকানোর জন্য ধানের মধ্য ক্লোরিং করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রাজাকাররা আমন ধানের মাঠ (স্থানীয় বরইয়া হাতর) থেকে দুদু মিয়া কে দৌঁড়ে ধরে সফরপুর সাহেবের হাট প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে ধানের জমিতে লাথি মেরে লাশ ফেলে দে।
পরে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী শহীদ দুদু মিয়াকে নিজ পুকুর পাড়ে সমাহিত করেন।
এই ব্যপারে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিম উল্যাহ বলেন, শহীদ দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে এসে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। দুদু মিয়া মুক্তিযোদ্ধা গোয়েন্দাতে কাজ করতেন। রাজাকারেরা তাকে হত্যা করে। দীর্ঘ ৫৩ বছরেও দুদু মিয়া রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়াটা দু:খ জনক।
শহীদ দুদু মিয়া সম্পর্কে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই হাজারী বলেন, দুদু ভারতে ট্রেনিং করে এসে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন এবং পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য জানাতেন।
যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে বরইয়া হাতর(ধানের মাঠ) থেকে ধরে রাজাকারেরা দুদু মিয়া কে হত্যা করে। আমি মৃক্তিযোদ্ধা দুদু মিয়ার রাষ্ট্রীয় চাই।
শহীদ দুদু মিয়ার ভাই জালাল আহম্মদ বলেন, আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হলে ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল কাদির অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন, তিনি গোয়েন্দাতে কাজ করতেন। আমার ভাই কে স্থানীয় রাজাকার কমান্ডার ওজিউল্যা ও আলম এর নেতৃত্বে ১০/১২ জন রাজাকার গুলি করে হত্যা করে। আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। আমার ভাই এর তিন টি সন্তান রয়েছে। তিনি মারা যাওয়ার পর ছেলে-মেয়েরা অভাব-অনটনে-অনাহারে মানুষের দারে দারে হাত পেতে দিনাযাপন করেছিল। এমতাবস্থায় লোক মারফতে তারা ভারতে নানার বাড়িতে চলে যায়। আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
স্থানীয় বেলাল আহম্মদ বলেন, দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাঞ্জাবী ও রাজাকারদের অবস্থান সনাক্ত করে হামলা চালাতেন। তাকে রাজাকারেরা হত্যা করে।
স্থানীয় ইলিয়াস ড্রাইভার বলেন, দুদু মিয়া গোয়েন্দা মুক্তিযুদ্ধা হিসেবে কাজ করতেন।
দুদু মিয়ার নাতি নূরনবী বলেন, আমার দাদা দুদু মিয়া ভারত থেকে ট্রেনিং করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। আমার দাদা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। আমরা তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
দুদু মিয়ার আরেক ভাতিজা হাজী জামাল উদ্দিন বলেন, আমার চাচা দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন, তিনি গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করতেন। আমার চাচা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন । আমরা তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবী করছি।
দুদু মিয়ার আরেক নাতি জাফর হোসেন বলেন,  আমি বাপ-দাদাদের কাছে শুনেছি আমার দাদার মেঝ ভাই দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং নিয়ে  সফরপুর গ্রামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে ইন্টেলিজেন্স উইং এ কাজ করতেন।  স্থানীয় রাজাকারেরা আমার মেঝ দাদা দুদু মিয়া কে হত্যা করে। আমার মেঝ দাদা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমরা তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
শহীদ দুদু মিয়া পুত্র শেখ আবদুল হাই লেদু মিয়া টেলিফোনে বলেন, তার পিতা দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। দেশ স্বাধীনের ৫৩ বছর পরও তার পিতার রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি পাইনি। তিনি দূ:খ প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বড় বোনের বয়স ছিল ৫ বছর, তার ৩ বছর, ছোট বোনের ১ বছর। তার পিতার মৃত্যুর পর তা মা তাদের কে নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে অনাহারে-অর্ধহারে ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন, রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ-সুবিধা পায়নি। এমতাবস্থায় আমার মামা আমার মা সহ আমাদের ৩ ভাই-বোন কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বর্ধমান জেলায় নিয়ে আসে। আমার পিতা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন। আমার পিতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি (শহীদ গেজেট) এর জন্য সরকার বাহাদুরের কাছে আকুল আবেদন করছি।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

শহীদ দুদু মিয়ার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান তার ওয়ারিশগণ

আপডেট সময় : ১২:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে দেশ মাতৃকার টানে মাতৃভূমি কে হানাদার মুক্ত করতে ভারতে ট্রেনিং নিয়ে জন্মস্থান ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা ৮নং আমিরাবাদ ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ড সফরপুর গ্রামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন শহীদ দদু মিয়া। মুক্তিযুদ্ধে দুদু মিয়া  ইন্টেলিজেন্স উইং থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অবস্থান সনাক্ত করে হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের উপর হামলা করতেন।
যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে রাজাকার গ্রুপ তাদের এলাকায় হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ করার উদ্দিশ্যে ঢুকার খবর নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে খবর পৌঁছানোর প্রাক্কালে রাজাকারদের হামলার কাছাকাছি এসে যান, এসময় দুদু মিয়া নিজের অবস্থান লুকানোর জন্য ধানের মধ্য ক্লোরিং করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রাজাকাররা আমন ধানের মাঠ (স্থানীয় বরইয়া হাতর) থেকে দুদু মিয়া কে দৌঁড়ে ধরে সফরপুর সাহেবের হাট প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে ধানের জমিতে লাথি মেরে লাশ ফেলে দে।
পরে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী শহীদ দুদু মিয়াকে নিজ পুকুর পাড়ে সমাহিত করেন।
এই ব্যপারে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিম উল্যাহ বলেন, শহীদ দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে এসে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। দুদু মিয়া মুক্তিযোদ্ধা গোয়েন্দাতে কাজ করতেন। রাজাকারেরা তাকে হত্যা করে। দীর্ঘ ৫৩ বছরেও দুদু মিয়া রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়াটা দু:খ জনক।
শহীদ দুদু মিয়া সম্পর্কে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই হাজারী বলেন, দুদু ভারতে ট্রেনিং করে এসে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন এবং পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য জানাতেন।
যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে বরইয়া হাতর(ধানের মাঠ) থেকে ধরে রাজাকারেরা দুদু মিয়া কে হত্যা করে। আমি মৃক্তিযোদ্ধা দুদু মিয়ার রাষ্ট্রীয় চাই।
শহীদ দুদু মিয়ার ভাই জালাল আহম্মদ বলেন, আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হলে ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল কাদির অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন, তিনি গোয়েন্দাতে কাজ করতেন। আমার ভাই কে স্থানীয় রাজাকার কমান্ডার ওজিউল্যা ও আলম এর নেতৃত্বে ১০/১২ জন রাজাকার গুলি করে হত্যা করে। আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। আমার ভাই এর তিন টি সন্তান রয়েছে। তিনি মারা যাওয়ার পর ছেলে-মেয়েরা অভাব-অনটনে-অনাহারে মানুষের দারে দারে হাত পেতে দিনাযাপন করেছিল। এমতাবস্থায় লোক মারফতে তারা ভারতে নানার বাড়িতে চলে যায়। আমার ভাই দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
স্থানীয় বেলাল আহম্মদ বলেন, দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাঞ্জাবী ও রাজাকারদের অবস্থান সনাক্ত করে হামলা চালাতেন। তাকে রাজাকারেরা হত্যা করে।
স্থানীয় ইলিয়াস ড্রাইভার বলেন, দুদু মিয়া গোয়েন্দা মুক্তিযুদ্ধা হিসেবে কাজ করতেন।
দুদু মিয়ার নাতি নূরনবী বলেন, আমার দাদা দুদু মিয়া ভারত থেকে ট্রেনিং করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। আমার দাদা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। আমরা তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
দুদু মিয়ার আরেক ভাতিজা হাজী জামাল উদ্দিন বলেন, আমার চাচা দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন, তিনি গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করতেন। আমার চাচা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন । আমরা তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবী করছি।
দুদু মিয়ার আরেক নাতি জাফর হোসেন বলেন,  আমি বাপ-দাদাদের কাছে শুনেছি আমার দাদার মেঝ ভাই দুদু মিয়া ভারতে ট্রেনিং নিয়ে  সফরপুর গ্রামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে ইন্টেলিজেন্স উইং এ কাজ করতেন।  স্থানীয় রাজাকারেরা আমার মেঝ দাদা দুদু মিয়া কে হত্যা করে। আমার মেঝ দাদা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমরা তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাই।
শহীদ দুদু মিয়া পুত্র শেখ আবদুল হাই লেদু মিয়া টেলিফোনে বলেন, তার পিতা দুদু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। দেশ স্বাধীনের ৫৩ বছর পরও তার পিতার রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি পাইনি। তিনি দূ:খ প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বড় বোনের বয়স ছিল ৫ বছর, তার ৩ বছর, ছোট বোনের ১ বছর। তার পিতার মৃত্যুর পর তা মা তাদের কে নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে অনাহারে-অর্ধহারে ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন, রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ-সুবিধা পায়নি। এমতাবস্থায় আমার মামা আমার মা সহ আমাদের ৩ ভাই-বোন কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বর্ধমান জেলায় নিয়ে আসে। আমার পিতা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন। আমার পিতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি (শহীদ গেজেট) এর জন্য সরকার বাহাদুরের কাছে আকুল আবেদন করছি।