গোমস্তাপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম দূর্নীতি যেন দেখার কেউ নাই।
- আপডেট সময় : ০৯:২৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ২২২১ বার পড়া হয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির সর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে। এ যেন দেখার কেউ নাই। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন সাধারণ মানুষ নিরুপায়। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে গোমস্তাপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে।
একের পর এক অভিযোগ যেন পিছু ছাড়ছে না গোমস্তাপুর হাসপাতালের।গত ১১-০১-২০২৫ ইং তারিখ গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্সের অবহেলায় শিশুর মৃত্যু শিরোনামে আমাদের দৈনিক বঙ্গ সংবাদে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
আবার ও আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ৫ জন ডাক্তার গোমস্তাপুর হাসপাতালে নিয়মিত রুগী দেখেন না। অভিযুক্ত সেই সব ডাক্তারেরা হলেন:-
০১ ⇒ ডাঃ জিনাত আরা হক জুনিয়ার কনসালটেন্ট (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ)
০২ ⇒ ডাঃ মাহবুব আলম জুনিয়ার কনসালটেন্ট (সার্জারি)
০৩ ⇒ ডাঃ শারমিন মাসুদ জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশুরোগ)
০৪ ⇒ ডাঃ মোঃ রুস্তম আলী জুনিয়র কনসালটেন্ট
০৫ ⇒ ডাঃ মোঃ আসিফুজ্জামান জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন)
তারা প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোর মতো করে ব্যবহার করে গোমস্তাপুর হাসপাতাল কে।তারা তাদের ইচ্ছে মতো হাসপাতালে আসে এবং তাদের ইচ্ছে মতো রুগী দেখে।এই অভিযুক্ত ৫ ডাক্তার তারা সবাই সপ্তাহে ৩ দিন গোমস্তাপুর হাসপাতালে রুগী দেখেন এবং সপ্তাহের বাকি ৩ দিন তারা বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিক গুলতে রুগী দেখে থাকেন।এমন অবস্থায় গোমস্তাপুর হাসপাতালের রুগীদের দূরভোগের শেষ নাই।
আমরা ভুক্তভুগী রুগীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি ডাক্তারেরা খুব অল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে থাকেন এবং অল্প সংখ্যক রুগী দেখেন।এ নিয়ে রুগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।এ এক অসহায় অবস্থায় মাঝে মাঝে রুগী কে চিকিৎসা না করেই বাসায় নিয়ে যেতে হয় রুগীর স্বজনদের।এই অসহায় রুগীদের আহাজারি যেন দেখার কেউ নাই,শুনার ও কেউ নাই।
হাসপাতালের রুগীদের অভিযোগ এর ভিত্তিতে অভিযুক্ত ৫ জন ডাক্তারের সাথে সরাসরি তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কেউই বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযুক্ত ৫ জন ডাক্তার বলেন,তাদের অভিযোগ এর বিষয় নিয়ে তাদের উর্ধতন কর্মকর্তা কথা বলবেন।
এ বিষয় নিয়ে গোমস্তাপুর উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা:মোঃ আবদুল হামিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন এই সমস্ত বিষয়ে আমার উর্ধতন কর্মকর্তা জানেন। আমি এর চেয়ে আর বেশি কিছু বলতে পারবো না।
অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে নাম বলতে অনিচ্ছুক হাসপাতালে কর্মরত কয়েক জন ব্যক্তি জানান অভিযুক্ত ৫ জন ডাক্তারে অনিয়ম এর পিছনে গোমস্তাপুর উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা:মোঃ আবদুল হামিদের হাত রয়েছে।তার সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া এই অভিযুক্ত ৫জন ডাক্তার কখনই মাসের পর মাস এই ভাবে অনিয়ম এর মধ্যে চলতে পারতো না।
গোমস্তাপুর হাসপাতালের ভুক্তভোগী রুগীদের একটাই দ্বাবি এই অনিয়ম দুর্নীতি যেন অতি দ্রুত বন্ধ হয়।উপজেলা হাসপাতালে এসে ঠিক মতো যেন চিকিৎসা পায়।






















