ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বেনজীর-ইমরানসহ ১০৩ জনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৯২ বার পড়া হয়েছে

 সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ

প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও মানবপাচারের মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদসহ ১০৩ জনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন নারাজি আবেদন গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. রাসেল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদীর করা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করে মিথ্যা মামলা করার জন্য বাদী আলতাফ খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে ‎আলতাব খান ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করেন।

সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি করেন আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জনশক্তি রপ্তানিতে দুই হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্ট থাকলেও মামলার আসামিরা মাফিয়া সিন্ডিকেট চক্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে সংবিধানের মূলনীতি পরিপন্থি জঘন্য অপরাধ করেছে। মামলার আসামি সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সরকারি চাকরিরত অবস্থায় নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছেলেকে সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

আর সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ তার পরিবারের সদস্য অর্থাৎ তাহার স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে বিধিবর্হিভূতভাবে একটি প্রবাসী নামক অ্যাপস চালু করার অনুমোদন দিয়ে চক্রকে সহযোগিতা করেছে। পরস্পর যোগসাজশে ভুক্তভোগী আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খানের সরলতার সুযোগে ভয়ভীতি ও বলপ্রয়োগ করে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে জোর করে অতিরিক্ত চাঁদা হিসেবে প্রত্যেকের দেড় লাখ টাকা হারে ৮৪১ জনের ১২ কোটি ৫৬ লাখ এক হাজার টাকা আদায় করেছে। এ ছাড়া তারা সংঘবদ্ধভাবে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে আত্মসাৎ করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বেনজীর-ইমরানসহ ১০৩ জনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ

আপডেট সময় : ১২:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও মানবপাচারের মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদসহ ১০৩ জনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন নারাজি আবেদন গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. রাসেল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদীর করা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করে মিথ্যা মামলা করার জন্য বাদী আলতাফ খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে ‎আলতাব খান ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করেন।

সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি করেন আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জনশক্তি রপ্তানিতে দুই হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্ট থাকলেও মামলার আসামিরা মাফিয়া সিন্ডিকেট চক্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে সংবিধানের মূলনীতি পরিপন্থি জঘন্য অপরাধ করেছে। মামলার আসামি সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সরকারি চাকরিরত অবস্থায় নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছেলেকে সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

আর সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ তার পরিবারের সদস্য অর্থাৎ তাহার স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে বিধিবর্হিভূতভাবে একটি প্রবাসী নামক অ্যাপস চালু করার অনুমোদন দিয়ে চক্রকে সহযোগিতা করেছে। পরস্পর যোগসাজশে ভুক্তভোগী আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খানের সরলতার সুযোগে ভয়ভীতি ও বলপ্রয়োগ করে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে জোর করে অতিরিক্ত চাঁদা হিসেবে প্রত্যেকের দেড় লাখ টাকা হারে ৮৪১ জনের ১২ কোটি ৫৬ লাখ এক হাজার টাকা আদায় করেছে। এ ছাড়া তারা সংঘবদ্ধভাবে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে আত্মসাৎ করে।