ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

শব্দদূষণ কমাতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২৭ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। অকারণে হর্ন বাজানো আমাদের একটি বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা পরিবর্তন করতে হবে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বিআরটিএ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সমন্বিত উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিকভাবে হর্ন ব্যবহারের বিষয়টিকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনো অজুহাতেই অকারণে হর্ন বাজানো যাবে না। অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেও জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ লক্ষ্যে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কয়েকজন তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এ কার্যক্রমে যুক্ত করেছে। সিভিল এভিয়েশন চাইলে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে। বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত করে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, উচ্চ শব্দের কারণে ঢাকা শহরের প্রায় ৬৫ শতাংশ চালকের শ্রবণক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্কুলগামী শিশুদের জন্য অতিরিক্ত হর্নের শব্দ অত্যন্ত অস্বস্তিকর। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতিগতভাবে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। তিনি শব্দদূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রণীত বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। এ ছাড়া ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

শব্দদূষণ কমাতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। অকারণে হর্ন বাজানো আমাদের একটি বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা পরিবর্তন করতে হবে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বিআরটিএ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সমন্বিত উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিকভাবে হর্ন ব্যবহারের বিষয়টিকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনো অজুহাতেই অকারণে হর্ন বাজানো যাবে না। অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেও জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ লক্ষ্যে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কয়েকজন তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এ কার্যক্রমে যুক্ত করেছে। সিভিল এভিয়েশন চাইলে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে। বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত করে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, উচ্চ শব্দের কারণে ঢাকা শহরের প্রায় ৬৫ শতাংশ চালকের শ্রবণক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্কুলগামী শিশুদের জন্য অতিরিক্ত হর্নের শব্দ অত্যন্ত অস্বস্তিকর। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতিগতভাবে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। তিনি শব্দদূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রণীত বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। এ ছাড়া ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।