ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: তদন্তে প্রকাশিত কুশীলবদের নাম


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৫ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগ্রহীত

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উঠেছে। তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, নতুন তদন্ত কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত ওই হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে হত্যার নেপথ্য কুশীলব ও পরিস্থিতি উদঘাটিত হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা গেছে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস ও জাহাঙ্গীর কবির নানক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জাহিদি আদালতে ফজলে নূর তাপসের সম্পৃক্ততার বিষয় তুলে ধরেন। মেজর মোকাররম আহম্মেদ সাক্ষ্য দেন সাহারা খাতুনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে। সাক্ষ্যভিত্তিক প্রোসিকিউশন জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

উচ্চ আদালত পিলখানা হত্যাকাণ্ডে বিডিআরের ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৮৩ জনকে খালাস প্রদান করেছেন। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি বিচারিক আদালতে এখনও চলমান। আসামিপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, হত্যা মামলায় খালাস পেলেও দ্বিতীয় মামলায় অনেকে প্রায় এক দশক ধরে কারাভোগ করছেন। এ মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: তদন্তে প্রকাশিত কুশীলবদের নাম

আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উঠেছে। তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, নতুন তদন্ত কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত ওই হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে হত্যার নেপথ্য কুশীলব ও পরিস্থিতি উদঘাটিত হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা গেছে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস ও জাহাঙ্গীর কবির নানক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জাহিদি আদালতে ফজলে নূর তাপসের সম্পৃক্ততার বিষয় তুলে ধরেন। মেজর মোকাররম আহম্মেদ সাক্ষ্য দেন সাহারা খাতুনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে। সাক্ষ্যভিত্তিক প্রোসিকিউশন জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

উচ্চ আদালত পিলখানা হত্যাকাণ্ডে বিডিআরের ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৮৩ জনকে খালাস প্রদান করেছেন। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি বিচারিক আদালতে এখনও চলমান। আসামিপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, হত্যা মামলায় খালাস পেলেও দ্বিতীয় মামলায় অনেকে প্রায় এক দশক ধরে কারাভোগ করছেন। এ মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।