ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদ-মাসুদের বিরুদ্ধে অতীতের বহু মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য আছে: চিফ প্রসিকিউটর


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৯৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অতীতের বহু মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এক–এগারো থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন বিনষ্ট করার জন্য খুন, গুম, নির্যাতনসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে এই দুজন জড়িত। তারা ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন এবং অন্যান্য মামলায় পুলিশি হেফাজতে বা রিমান্ডে রয়েছেন। তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।”

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, “তাদের সম্পূর্ণ অভিযোগ এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তদন্ত শেষে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়া উচিত। যাতে ভবিষ্যতে সরকারি দায়িত্বে থাকা কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”

তিনি আবু সাঈদের মামলার প্রসঙ্গে বলেন, “৯ তারিখে জাজমেন্টের জন্য নির্ধারিত আছে। আমাদের তদন্তে দেখা গেছে একজন আসামি ওইদিন সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও পরবর্তী দুই দিনের ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। সেই অনুযায়ী আলাদা মামলা ও গ্রেফতারের আবেদন করা হবে।”

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “এক–এগারো থেকে শুরু করে যাঁরা রিং-লিডার ছিলেন, তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ট্রাইব্যুনাল স্বাধীনভাবে বিচার করবে এবং কোনো ইনডেমনিটি আমাদের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না।”

এর আগে আজ সকালেই চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা, এবং শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ আনা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল আগামী ৭ এপ্রিল তাদের হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

খালেদ-মাসুদের বিরুদ্ধে অতীতের বহু মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য আছে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৩:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অতীতের বহু মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এক–এগারো থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন বিনষ্ট করার জন্য খুন, গুম, নির্যাতনসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে এই দুজন জড়িত। তারা ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন এবং অন্যান্য মামলায় পুলিশি হেফাজতে বা রিমান্ডে রয়েছেন। তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।”

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, “তাদের সম্পূর্ণ অভিযোগ এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তদন্ত শেষে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়া উচিত। যাতে ভবিষ্যতে সরকারি দায়িত্বে থাকা কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”

তিনি আবু সাঈদের মামলার প্রসঙ্গে বলেন, “৯ তারিখে জাজমেন্টের জন্য নির্ধারিত আছে। আমাদের তদন্তে দেখা গেছে একজন আসামি ওইদিন সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও পরবর্তী দুই দিনের ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। সেই অনুযায়ী আলাদা মামলা ও গ্রেফতারের আবেদন করা হবে।”

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “এক–এগারো থেকে শুরু করে যাঁরা রিং-লিডার ছিলেন, তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ট্রাইব্যুনাল স্বাধীনভাবে বিচার করবে এবং কোনো ইনডেমনিটি আমাদের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না।”

এর আগে আজ সকালেই চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা, এবং শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ আনা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল আগামী ৭ এপ্রিল তাদের হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে।