ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাহাড়সম অনিয়ম দূর্নীতির সর্গরাজ্য


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২১৩০ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির সর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে । এ যেন দেখার কেউ নাই। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন সাধারণ মানুষ নিরুপায়। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে।

আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ৪জন ডাক্তার শিবগঞ্জ হাসপাতালে নিয়মিত রুগী দেখেন না। অভিযুক্ত সেই সব ডাক্তারেরা হলেন:-

০১.ডাঃ মোঃ মামুন কবির, কোড নং-১২৬৪৪৮ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (মেডিসিন)।
০২.ডাঃ মোঃ নাজিম উদ্দীন, কোড নং-১৭৭৯৩৮ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিও)।
০৩.ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম, কোড নং-১০১৫১৯২ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (সার্জারী)।
০৪.ডাঃ আতিয়া ইসলাম, কোড নং-১৩০৭৭৭ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (শিশু)।

তারা প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোর মতো করে ব্যবহার করে শিবগঞ্জ হাসপাতাল কে।তারা তাদের ইচ্ছে মতো হাসপাতালে আসে এবং তাদের ইচ্ছে মতো রুগী দেখে।এই অভিযুক্ত ৪ ডাক্তার তারা সবাই সপ্তাহে ৩ দিন শিবগঞ্জ হাসপাতালে রুগী দেখেন এবং সপ্তাহের বাকি ৩ দিন তারা বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিক গুলতে রুগী দেখে থাকেন।এমন অবস্থায় শিবগঞ্জ হাসপাতালের রুগীদের দূরভোগের শেষ নাই।

আমরা ভুক্তভুগী রুগীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি ডাক্তারেরা খুব অল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে থাকেন এবং অল্প সংখ্যক রুগী দেখেন।এ নিয়ে রুগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।এ এক অসহায় অবস্থায় মাঝে মাঝে রুগী কে চিকিৎসা না করেই বাসায় নিয়ে যেতে হয় রুগীর স্বজনদের।এই অসহায় রুগীদের আহাজারি যেন দেখার কেউ নাই,শুনার ও কেউ নাই।

হাসপাতালের রুগীদের অভিযোগ এর ভিত্তিতে অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তারের সাথে সরাসরি তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কেউই বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযুক্ত ৪ জন ডাক্তার বলেন,তাদের অভিযোগ এর বিষয় নিয়ে তাদের উর্ধতন কর্মকর্তা কথা বলবেন।

এ বিষয় নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ও বক্তব্য দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে নাম বলতে অনিচ্ছুক হাসপাতালে কর্মরত কয়েক জন ব্যক্তি জানান অভিযুক্ত ৪ জন ডাক্তারে অনিয়ম এর পিছনে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের হাত রয়েছে। তারা আরো বলেন এই অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তারে কাছ থেকে তিনি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা নেন।তার বিনিময়ে এই অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তার কে অনিয়মের সুযোগ করে দেন।

ডাক্তারদের এই অনিয়মের বিষয়ে হাসপাতালের সবাই জানলেও কেউ মুখ খুলে প্রতিবাদ করতে পারে না।শুধু মাত্র উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের অদৃশ্য ক্ষমতার কারনে । হাসপাতালের নিয়ম নীতি না মেনে নিজের ইচ্ছামত হাসপাতাল পরিচালনা করে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি করে নিজের নামে পাহাড় সম সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন । ডা: সায়রা খানের অদৃশ্য ক্ষমতার কারনে আজ সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নাই। ডা: সায়রা খান ক্ষমতার দাপটে অনিয়ম আর দূর্নীতি করে নিজের পকেট ভর্তি করছে আর সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাছে। ডা: সায়রা খানের ক্ষমতার দাপটে নিরুপায় ভুক্তভোগী রুগীরা।

শিবগঞ্জ হাসপাতালের ভুক্তভোগী রুগীদের একটাই দ্বাবি এই অনিয়ম দুর্নীতি অতি দ্রুত বন্ধ হয়। উপজেলা হাসপাতালে এসে ঠিক মতো যেন চিকিৎসা পায়।

এ বিষয় নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ও বক্তব্য দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাহাড়সম অনিয়ম দূর্নীতির সর্গরাজ্য

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির সর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে । এ যেন দেখার কেউ নাই। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন সাধারণ মানুষ নিরুপায়। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে শিবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে।

আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ৪জন ডাক্তার শিবগঞ্জ হাসপাতালে নিয়মিত রুগী দেখেন না। অভিযুক্ত সেই সব ডাক্তারেরা হলেন:-

০১.ডাঃ মোঃ মামুন কবির, কোড নং-১২৬৪৪৮ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (মেডিসিন)।
০২.ডাঃ মোঃ নাজিম উদ্দীন, কোড নং-১৭৭৯৩৮ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিও)।
০৩.ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম, কোড নং-১০১৫১৯২ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (সার্জারী)।
০৪.ডাঃ আতিয়া ইসলাম, কোড নং-১৩০৭৭৭ জুনিয়ার কনসালটেন্ট (শিশু)।

তারা প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোর মতো করে ব্যবহার করে শিবগঞ্জ হাসপাতাল কে।তারা তাদের ইচ্ছে মতো হাসপাতালে আসে এবং তাদের ইচ্ছে মতো রুগী দেখে।এই অভিযুক্ত ৪ ডাক্তার তারা সবাই সপ্তাহে ৩ দিন শিবগঞ্জ হাসপাতালে রুগী দেখেন এবং সপ্তাহের বাকি ৩ দিন তারা বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিক গুলতে রুগী দেখে থাকেন।এমন অবস্থায় শিবগঞ্জ হাসপাতালের রুগীদের দূরভোগের শেষ নাই।

আমরা ভুক্তভুগী রুগীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি ডাক্তারেরা খুব অল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে থাকেন এবং অল্প সংখ্যক রুগী দেখেন।এ নিয়ে রুগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।এ এক অসহায় অবস্থায় মাঝে মাঝে রুগী কে চিকিৎসা না করেই বাসায় নিয়ে যেতে হয় রুগীর স্বজনদের।এই অসহায় রুগীদের আহাজারি যেন দেখার কেউ নাই,শুনার ও কেউ নাই।

হাসপাতালের রুগীদের অভিযোগ এর ভিত্তিতে অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তারের সাথে সরাসরি তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কেউই বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযুক্ত ৪ জন ডাক্তার বলেন,তাদের অভিযোগ এর বিষয় নিয়ে তাদের উর্ধতন কর্মকর্তা কথা বলবেন।

এ বিষয় নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ও বক্তব্য দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে নাম বলতে অনিচ্ছুক হাসপাতালে কর্মরত কয়েক জন ব্যক্তি জানান অভিযুক্ত ৪ জন ডাক্তারে অনিয়ম এর পিছনে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের হাত রয়েছে। তারা আরো বলেন এই অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তারে কাছ থেকে তিনি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা নেন।তার বিনিময়ে এই অভিযুক্ত ৪জন ডাক্তার কে অনিয়মের সুযোগ করে দেন।

ডাক্তারদের এই অনিয়মের বিষয়ে হাসপাতালের সবাই জানলেও কেউ মুখ খুলে প্রতিবাদ করতে পারে না।শুধু মাত্র উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের অদৃশ্য ক্ষমতার কারনে । হাসপাতালের নিয়ম নীতি না মেনে নিজের ইচ্ছামত হাসপাতাল পরিচালনা করে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি করে নিজের নামে পাহাড় সম সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন । ডা: সায়রা খানের অদৃশ্য ক্ষমতার কারনে আজ সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নাই। ডা: সায়রা খান ক্ষমতার দাপটে অনিয়ম আর দূর্নীতি করে নিজের পকেট ভর্তি করছে আর সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাছে। ডা: সায়রা খানের ক্ষমতার দাপটে নিরুপায় ভুক্তভোগী রুগীরা।

শিবগঞ্জ হাসপাতালের ভুক্তভোগী রুগীদের একটাই দ্বাবি এই অনিয়ম দুর্নীতি অতি দ্রুত বন্ধ হয়। উপজেলা হাসপাতালে এসে ঠিক মতো যেন চিকিৎসা পায়।

এ বিষয় নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেল স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: সায়রা খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ও বক্তব্য দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।