ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

লালদিয়া চুক্তি: কী রয়েছে এতে, কে পেল সুবিধা আর কার হলো ক্ষতি


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৮৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে আলোচনা এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ১৭ নভেম্বর ঢাকার একটি হোটেলে ডেনমার্কভিত্তিক মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালস এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর বিষয়টি রাজপথে বিক্ষোভেও গড়িয়েছে। চুক্তি অনুসারে, পতেঙ্গার লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে প্রতিষ্ঠানটি। ৩৩ বছর মেয়াদি এ চুক্তির সব তথ্য প্রকাশ না করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি প্রশ্ন উঠছে।

কনসেশন চুক্তি কী
কনসেশন চুক্তি মূলত সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বে  বন্দর বা অনুরূপ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার একটি মডেল। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়; তারা বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে এবং নির্ধারিত মাশুল আদায় করে। চুক্তির মেয়াদ শেষে অবকাঠামো সরকারের কাছে ফিরে আসে। বিশ্বব্যাপী এ ধরনের চুক্তির মেয়াদ সাধারণত প্রায় ৩০ বছর।

চুক্তি কি গোপনীয়
চুক্তির দলিল প্রকাশ করা হবে কি না, তা নির্ভর করে উভয় পক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর। ব্যবসায়িক তথ্য সুরক্ষার জন্য সাধারণত এনডিএ যুক্ত থাকে। লালদিয়ার চুক্তিতেও বাণিজ্যিক অংশ গোপন রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তবে বাণিজ্যিক নয়—এমন তথ্য প্রকাশযোগ্য।

আন্তর্জাতিকভাবে কনসেশন চুক্তির পুরো দলিল সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। তবে ভারতের ক্ষেত্রে কিছু নজির আছে, যেখানে শতাধিক দলিল জনসমক্ষে রয়েছে।

লালদিয়ার চুক্তিতে কী আছে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিতে রয়েছে—
সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা, কনসেশন প্রদান, নির্মাণের পূর্বশর্ত, নিরাপত্তা জামানত, নকশা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবেশ ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা, মাশুল কাঠামো, মালিকানা, ক্ষতিপূরণযোগ্য ঘটনা, ফোর্স মেজর, চুক্তি বাতিলের শর্ত, বিরোধ নিষ্পত্তি, হস্তান্তর, গোপনীয়তা এবং আইনগত সম্পর্ক ইত্যাদি।
পরিশিষ্টে প্রকল্পের কারিগরি, আর্থিক ও আইনি তথ্য আলাদা করে সংযুক্ত আছে।

যা যা প্রকাশ করা হয়েছে
চুক্তি সইয়ের দিন কয়েকটি তথ্য জানানো হয়—

কনসেশন মেয়াদ ৩৩ বছর—৩ বছর নির্মাণ, ৩০ বছর পরিচালনা। শর্ত সাপেক্ষে আরও ১৫ বছর বাড়ানো যাবে।

আট লাখ একক কনটেইনার পর্যন্ত বন্দর পাবে ২১ ডলার; ৮–৯ লাখ পর্যন্ত ২৩ ডলার। ৯ লাখের বেশি অংশের হার প্রকাশ হয়নি।

মোট বিনিয়োগ ৫৫ কোটি ডলার।

বন্দর পাবে ২৫০ কোটি টাকা ‘আপফ্রন্ট ফি’।

আরও যে তথ্য জানা গেছে
চুক্তি কার্যকর হবে ৯০ দিন পর; এ সময়ে প্রজেক্ট কোম্পানি গঠনসহ প্রাথমিক কাজ শেষ করতে হবে।

চুক্তিভঙ্গ করলে অপারেটর জরিমানার মুখোমুখি হবে, গুরুতর ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল হতে পারে।

তৃতীয় বছর থেকে সক্ষমতার ৮০%—অর্থাৎ ৬ লাখ ৪০ হাজার একক কনটেইনার—লোড–আনলোড করার গ্যারান্টি থাকবে। লক্ষ্য পূরণ না হলেও ওই পরিমাণের জন্য বন্দরকে মাশুল দিতে হবে অপারেটরকে।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে পরিচালনা বন্ধ থাকলে অপারেটর ক্ষতিপূরণ পাবে।

আইন পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিধান রয়েছে।

এসক্রো অ্যাকাউন্ট রাখা হয়নি, কারণ বন্দর নির্দিষ্ট শেয়ার নয়, কনটেইনারপ্রতি নির্দিষ্ট অর্থই পাবে।

লালদিয়া থেকে উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের পুনর্বাসন সামাজিক বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; এ খাতের ব্যয় কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন ডলার।

কে কী পাবে
বন্দর কর্তৃপক্ষ

কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই নিশ্চিত রাজস্ব।

৩০ বছরে কনটেইনার মাশুল, বহির্নোঙরের চার্জ, আপফ্রন্ট ফি—মোট আয় সম্ভাব্য ৭০ কোটি ডলার।

মেয়াদ শেষে অবকাঠামো ফেরত পাবে।

এপিএম টার্মিনালস

পরিচালনা শুরু হলে আয় শুরু হবে।

বছরে সম্ভাব্য আয়: প্রায় ৮ কোটি ৭৫ লাখ ডলার; ৩০ বছরে প্রায় ২৬৩ কোটি ডলার (অতিরিক্ত সেবা আয় বাদে)।

মায়ের্সক লাইনের জাহাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অপারেটরের সময়সাশ্রয় ও পরোক্ষ মুনাফা বাড়বে।

অর্থনীতির লাভ–ক্ষতি
চট্টগ্রাম বন্দরের ৯৯% কনটেইনার বাণিজ্য এখানেই সম্পন্ন হয়। সক্ষমতা ঘাটতির কারণে জট বাড়ছে। নতুন টার্মিনাল ছাড়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
লালদিয়া বছরে আট লাখ একক কনটেইনার সক্ষমতা বাড়াবে, যা রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল পরিবহন দ্রুত করবে। রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকরা সময় বাঁচিয়ে ব্যয় কমাতে পারবেন।

বাণিজ্য সংগঠনগুলো বলছে—

এপিএম টার্মিনালস দক্ষ অপারেটর—প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।

চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী না হলে এবং ব্যয় না বাড়লে এটি ইতিবাচক।

ব্যবসায়িক নয় এমন সব তথ্য প্রকাশ করলে সন্দেহ দূর হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে—

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

বিনিয়োগ চুক্তিতে স্বচ্ছতা, জনঅবগতির সুযোগ এবং দেশি জনশক্তির দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশি অপারেটরদের সক্ষমতা তৈরি করা উচিত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

লালদিয়া চুক্তি: কী রয়েছে এতে, কে পেল সুবিধা আর কার হলো ক্ষতি

আপডেট সময় : ১২:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে আলোচনা এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ১৭ নভেম্বর ঢাকার একটি হোটেলে ডেনমার্কভিত্তিক মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালস এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর বিষয়টি রাজপথে বিক্ষোভেও গড়িয়েছে। চুক্তি অনুসারে, পতেঙ্গার লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে প্রতিষ্ঠানটি। ৩৩ বছর মেয়াদি এ চুক্তির সব তথ্য প্রকাশ না করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি প্রশ্ন উঠছে।

কনসেশন চুক্তি কী
কনসেশন চুক্তি মূলত সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বে  বন্দর বা অনুরূপ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার একটি মডেল। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়; তারা বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে এবং নির্ধারিত মাশুল আদায় করে। চুক্তির মেয়াদ শেষে অবকাঠামো সরকারের কাছে ফিরে আসে। বিশ্বব্যাপী এ ধরনের চুক্তির মেয়াদ সাধারণত প্রায় ৩০ বছর।

চুক্তি কি গোপনীয়
চুক্তির দলিল প্রকাশ করা হবে কি না, তা নির্ভর করে উভয় পক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর। ব্যবসায়িক তথ্য সুরক্ষার জন্য সাধারণত এনডিএ যুক্ত থাকে। লালদিয়ার চুক্তিতেও বাণিজ্যিক অংশ গোপন রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তবে বাণিজ্যিক নয়—এমন তথ্য প্রকাশযোগ্য।

আন্তর্জাতিকভাবে কনসেশন চুক্তির পুরো দলিল সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। তবে ভারতের ক্ষেত্রে কিছু নজির আছে, যেখানে শতাধিক দলিল জনসমক্ষে রয়েছে।

লালদিয়ার চুক্তিতে কী আছে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিতে রয়েছে—
সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা, কনসেশন প্রদান, নির্মাণের পূর্বশর্ত, নিরাপত্তা জামানত, নকশা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবেশ ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা, মাশুল কাঠামো, মালিকানা, ক্ষতিপূরণযোগ্য ঘটনা, ফোর্স মেজর, চুক্তি বাতিলের শর্ত, বিরোধ নিষ্পত্তি, হস্তান্তর, গোপনীয়তা এবং আইনগত সম্পর্ক ইত্যাদি।
পরিশিষ্টে প্রকল্পের কারিগরি, আর্থিক ও আইনি তথ্য আলাদা করে সংযুক্ত আছে।

যা যা প্রকাশ করা হয়েছে
চুক্তি সইয়ের দিন কয়েকটি তথ্য জানানো হয়—

কনসেশন মেয়াদ ৩৩ বছর—৩ বছর নির্মাণ, ৩০ বছর পরিচালনা। শর্ত সাপেক্ষে আরও ১৫ বছর বাড়ানো যাবে।

আট লাখ একক কনটেইনার পর্যন্ত বন্দর পাবে ২১ ডলার; ৮–৯ লাখ পর্যন্ত ২৩ ডলার। ৯ লাখের বেশি অংশের হার প্রকাশ হয়নি।

মোট বিনিয়োগ ৫৫ কোটি ডলার।

বন্দর পাবে ২৫০ কোটি টাকা ‘আপফ্রন্ট ফি’।

আরও যে তথ্য জানা গেছে
চুক্তি কার্যকর হবে ৯০ দিন পর; এ সময়ে প্রজেক্ট কোম্পানি গঠনসহ প্রাথমিক কাজ শেষ করতে হবে।

চুক্তিভঙ্গ করলে অপারেটর জরিমানার মুখোমুখি হবে, গুরুতর ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল হতে পারে।

তৃতীয় বছর থেকে সক্ষমতার ৮০%—অর্থাৎ ৬ লাখ ৪০ হাজার একক কনটেইনার—লোড–আনলোড করার গ্যারান্টি থাকবে। লক্ষ্য পূরণ না হলেও ওই পরিমাণের জন্য বন্দরকে মাশুল দিতে হবে অপারেটরকে।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে পরিচালনা বন্ধ থাকলে অপারেটর ক্ষতিপূরণ পাবে।

আইন পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিধান রয়েছে।

এসক্রো অ্যাকাউন্ট রাখা হয়নি, কারণ বন্দর নির্দিষ্ট শেয়ার নয়, কনটেইনারপ্রতি নির্দিষ্ট অর্থই পাবে।

লালদিয়া থেকে উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের পুনর্বাসন সামাজিক বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; এ খাতের ব্যয় কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন ডলার।

কে কী পাবে
বন্দর কর্তৃপক্ষ

কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই নিশ্চিত রাজস্ব।

৩০ বছরে কনটেইনার মাশুল, বহির্নোঙরের চার্জ, আপফ্রন্ট ফি—মোট আয় সম্ভাব্য ৭০ কোটি ডলার।

মেয়াদ শেষে অবকাঠামো ফেরত পাবে।

এপিএম টার্মিনালস

পরিচালনা শুরু হলে আয় শুরু হবে।

বছরে সম্ভাব্য আয়: প্রায় ৮ কোটি ৭৫ লাখ ডলার; ৩০ বছরে প্রায় ২৬৩ কোটি ডলার (অতিরিক্ত সেবা আয় বাদে)।

মায়ের্সক লাইনের জাহাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অপারেটরের সময়সাশ্রয় ও পরোক্ষ মুনাফা বাড়বে।

অর্থনীতির লাভ–ক্ষতি
চট্টগ্রাম বন্দরের ৯৯% কনটেইনার বাণিজ্য এখানেই সম্পন্ন হয়। সক্ষমতা ঘাটতির কারণে জট বাড়ছে। নতুন টার্মিনাল ছাড়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
লালদিয়া বছরে আট লাখ একক কনটেইনার সক্ষমতা বাড়াবে, যা রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল পরিবহন দ্রুত করবে। রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকরা সময় বাঁচিয়ে ব্যয় কমাতে পারবেন।

বাণিজ্য সংগঠনগুলো বলছে—

এপিএম টার্মিনালস দক্ষ অপারেটর—প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।

চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী না হলে এবং ব্যয় না বাড়লে এটি ইতিবাচক।

ব্যবসায়িক নয় এমন সব তথ্য প্রকাশ করলে সন্দেহ দূর হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে—

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

বিনিয়োগ চুক্তিতে স্বচ্ছতা, জনঅবগতির সুযোগ এবং দেশি জনশক্তির দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশি অপারেটরদের সক্ষমতা তৈরি করা উচিত।