ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

আইএমএফের শর্ত মেনে চললে পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো মুদ্রার অবমূল্যায়ন হতো: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১০৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী মুদ্রার বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করলে বাংলাদেশের মুদ্রার মান পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হতো। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ এ পথে এগোয়নি। বর্তমানে ডলারের বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেয়ার সময় ডলারের দর ছিল ১২০ টাকা; এখন প্রায় ১২২ টাকা। বিদেশি দায় পরিশোধে আগে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে সুদহার বৃদ্ধি করা হয়েছে, বাজেট সহায়তার জন্য টাকা ছাপানো বন্ধ করা হয়েছে এবং ডলার বেচা বন্ধ রাখা হয়েছে।

রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, চলতি বছরে রাজস্ব আয় ১৫ শতাংশ বেড়েছে, তবে কর-জিডিপি অনুপাত কমছে। ভ্যাট আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। এখন থেকে করছাড় ও অন্যান্য ছাড় দেওয়া হলে সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। রাজস্ব আয় বাড়াতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ও অন্যান্য কর বাড়ানো এবং নগদ ব্যবহারের সীমিতকরণ পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক এখনও নেতিবাচক, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারতো। তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও সংস্কারের বাস্তবায়নের জন্য স্ট্যামিনা ও রাজনৈতিক ইচ্ছা প্রয়োজন।

সিপিডির ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বৃদ্ধি হয়েছে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমিয়েছে এবং আয়ের বৈষম্য বৃদ্ধি করেছে। ব্যবসা সহজীকরণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও দুর্নীতি দমন এখনো প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আইএমএফের শর্ত মেনে চললে পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো মুদ্রার অবমূল্যায়ন হতো: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী মুদ্রার বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করলে বাংলাদেশের মুদ্রার মান পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হতো। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ এ পথে এগোয়নি। বর্তমানে ডলারের বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেয়ার সময় ডলারের দর ছিল ১২০ টাকা; এখন প্রায় ১২২ টাকা। বিদেশি দায় পরিশোধে আগে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে সুদহার বৃদ্ধি করা হয়েছে, বাজেট সহায়তার জন্য টাকা ছাপানো বন্ধ করা হয়েছে এবং ডলার বেচা বন্ধ রাখা হয়েছে।

রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, চলতি বছরে রাজস্ব আয় ১৫ শতাংশ বেড়েছে, তবে কর-জিডিপি অনুপাত কমছে। ভ্যাট আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। এখন থেকে করছাড় ও অন্যান্য ছাড় দেওয়া হলে সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। রাজস্ব আয় বাড়াতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ও অন্যান্য কর বাড়ানো এবং নগদ ব্যবহারের সীমিতকরণ পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক এখনও নেতিবাচক, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারতো। তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও সংস্কারের বাস্তবায়নের জন্য স্ট্যামিনা ও রাজনৈতিক ইচ্ছা প্রয়োজন।

সিপিডির ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বৃদ্ধি হয়েছে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমিয়েছে এবং আয়ের বৈষম্য বৃদ্ধি করেছে। ব্যবসা সহজীকরণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও দুর্নীতি দমন এখনো প্রয়োজন।