চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মী আটক
- আপডেট সময় : ০১:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২১২২ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে রাম দাসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক বহিরাগত কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আতঙ্ক বিপ্লব ওরফে বিপ্লব।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোবাইল ফোন কেনাবেচা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনি শাহ আমানত হলে দা হাতে প্রবেশ করে কয়েকজন বহিরাগত শিক্ষার্থীর ওপর হামলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই প্রক্টোরিয়াল বডি তাকে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক বিপ্লব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ‘আইএসএস’-এর একজন কর্মী। তার বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত। ক্যাম্পাসে তিনি ‘আতঙ্ক বিপ্লব’ নামে পরিচিত বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে মোবাইল ফোন লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ফোন ফেরতের টাকা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলেও পরে উভয় পক্ষ বিষয়টি মীমাংসায় সম্মত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদের উদ্যোগে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। সে অনুযায়ী ক্রেতাদের শাহ আমানত হলে ডাকা হয়। বিপ্লবের বাবা ওই হলের বাবুর্চি হওয়ায় সেখানেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুরুতে বিপ্লব সেখানে উপস্থিত না থাকলেও পরে হলে এসে বাবার সম্পৃক্ততার বিষয়টি দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে তিনি দা হাতে হলে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় হলের শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে এবং বিষয়টি প্রক্টোরিয়াল বডিকে জানায়। পরে প্রক্টোরিয়াল বডি তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দফতরে নিয়ে যায়।
প্রক্টোরিয়াল বডি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার আলামত পায়। পাশাপাশি জানা যায়, ভুক্তভোগী ও বাদী পরস্পরের বন্ধু এবং অতীতে তারা একসঙ্গে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এদিকে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হিসেবে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত বিপ্লব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আউটসোর্সিং ব্যবস্থার আওতায় নিয়োজিত একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা ওই প্রতিষ্ঠান ‘আইএসএস’-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।


























