ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দিলে নির্বাচন প্রতিহত করা হবে: এনসিপি নেতা


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে রাজশাহীতে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের সময় এ ঘোষণা দেন তিনি। তবে পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম চলাকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক ঘোষণা করছিলেন। এ সময় নাহিদুল ইসলাম সাজু হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বক্তব্য দিতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছে। যারা আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছে, তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে আমরা ডিসি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি দেবো। রাজশাহীতে জাতীয় পার্টি কিংবা আওয়ামী লীগের দোসর বা সহযোগীদের ভোট করতে দেওয়া হবে না। জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে এখানে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।’

এ সময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যের জবাবে বলেন, ‘এই দাবি তোলার সুযোগ এর আগেই ছিল। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার সময় এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানানো যেত। এখন আপনারা লিখিত মতামত দিলে আমরা তা আজই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠিয়ে দেবো।’

পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে জেলা প্রশাসক স্বাভাবিকভাবে বাকি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দিলে নির্বাচন প্রতিহত করা হবে: এনসিপি নেতা

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে রাজশাহীতে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের সময় এ ঘোষণা দেন তিনি। তবে পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম চলাকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক ঘোষণা করছিলেন। এ সময় নাহিদুল ইসলাম সাজু হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বক্তব্য দিতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছে। যারা আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছে, তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে আমরা ডিসি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি দেবো। রাজশাহীতে জাতীয় পার্টি কিংবা আওয়ামী লীগের দোসর বা সহযোগীদের ভোট করতে দেওয়া হবে না। জাতীয় পার্টিকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলে এখানে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।’

এ সময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যের জবাবে বলেন, ‘এই দাবি তোলার সুযোগ এর আগেই ছিল। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার সময় এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানানো যেত। এখন আপনারা লিখিত মতামত দিলে আমরা তা আজই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠিয়ে দেবো।’

পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে জেলা প্রশাসক স্বাভাবিকভাবে বাকি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।