আগামী বাজেটের পর মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে : সিপিডি
- আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ২০৮৪ বার পড়া হয়েছে
দেশে বর্তমান মূল্যস্ফীতির ধারা বিবেচনায় নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আশঙ্কা করছে, আগামী বাজেট ঘোষণার পর তা আরও বাড়তে পারে।
সংস্থাটি মনে করছে, নতুন বাজেটে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা দূর করাসহ আটটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনায় সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে নানা ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটকে বাস্তবসম্মত ও সংস্কারমুখী হওয়া প্রয়োজন।
আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান এবং জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী নাজিবা মোহাম্মদ আলতাফসহ অন্যান্যরা।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। জ্বালানি আমদানির খরচ বৃদ্ধি পেলে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়তে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, আগের ঋণের চাপ এবং বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে নতুন করে ঋণ নিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
রাজস্ব আহরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাজেট বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হওয়ায় উন্নয়ন ব্যয় ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ সৃষ্টি হয়।
তার মতে, করের আওতা বাড়ানো জরুরি। যারা এখনো করের বাইরে রয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের ওপর করের হার কমিয়ে আনতে হবে এবং সরকারি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় এসব প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকি দিয়ে টিকিয়ে রাখার যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।




























