ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

চার বছরে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০৯৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

জনগণের কল্যাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগামী চার বছরে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। যারা তাকে ভোট দেননি, তাদের প্রতিনিধিত্ব করাও তার দায়িত্ব। জনগণের উন্নয়নে সরকার আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তির পরিবর্তে পরিবারের উন্নয়নই ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন বাড়বে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮১৪ নারীকে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবার এই সুবিধা পাবে।

কৃষকদের কল্যাণে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে এই কার্ড চালু হবে। প্রথম পর্যায়ে ১০ জেলায় ২২ হাজার কৃষক এতে অন্তর্ভুক্ত হবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকের কাছে এটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এই কর্মসূচির বাজেট সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডধারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।

তিনি আরও বলেন, এই অর্থ বিতরণে নতুন করে টাকা ছাপানো হবে না, ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। প্রাপকেরা এই অর্থ দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

কৃষকদের জন্য নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

শ্রমিকদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর পরিকল্পনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক কল্যাণে বরাদ্দ অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা সরকার তদারকি করবে।

এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

চার বছরে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জনগণের কল্যাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগামী চার বছরে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। যারা তাকে ভোট দেননি, তাদের প্রতিনিধিত্ব করাও তার দায়িত্ব। জনগণের উন্নয়নে সরকার আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তির পরিবর্তে পরিবারের উন্নয়নই ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন বাড়বে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮১৪ নারীকে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবার এই সুবিধা পাবে।

কৃষকদের কল্যাণে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে এই কার্ড চালু হবে। প্রথম পর্যায়ে ১০ জেলায় ২২ হাজার কৃষক এতে অন্তর্ভুক্ত হবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকের কাছে এটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এই কর্মসূচির বাজেট সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডধারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।

তিনি আরও বলেন, এই অর্থ বিতরণে নতুন করে টাকা ছাপানো হবে না, ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। প্রাপকেরা এই অর্থ দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

কৃষকদের জন্য নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

শ্রমিকদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর পরিকল্পনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক কল্যাণে বরাদ্দ অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা সরকার তদারকি করবে।

এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।