শিক্ষায় অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না : শিক্ষামন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
- / ২১৭২ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০০১ সালে প্রথমবারের মতো কুমিল্লার আমড়াতলী হাই স্কুলে নকল প্রতিরোধ অভিযান শুরু হয় এবং তখন দু’জন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের সব সময় সুরক্ষা প্রদান করতেন এবং কোনো শিক্ষক আহত হলে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হতো। তবে শিক্ষায় অনিয়মকে কখনো ক্ষমা করা যায় না।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের ২০২৬ সালের পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের শিক্ষা দিতে কাজ করেন, তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা; এখানে অসৎ কাজ করা যায় না। প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন, আমরা স্বপ্ন দেখি দেশের শিক্ষার উন্নয়ন ও আগামী প্রজন্মের জন্য ভালো বাংলাদেশ গড়ার।”
তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে নকলের সঙ্গে কিছু শিক্ষক যুক্ত ছিলেন। তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তিনি নকল প্রতিরোধে জোর দিতেন এবং শিক্ষকরাই তাকে সহায়তা করেছিলেন। এবারও নকলকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় যেসব স্কুলে পাসের হার শূন্য হবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামসুল ইসলাম, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা মো. নূরুল হক, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানসহ অনেকে।


























