ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০৮৩ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সওজ কর্তৃপক্ষ মহাসড়কের দুপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির ১০-১৫ জনের একটি দল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহড়া দিচ্ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ আরেকটি দলের সংঘর্ষ বাধে। পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে শিমরাইল মোড়ে মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ হকার ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা ও মাহমুদুল হাসান।

নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ তালুকদার জানান, সংঘর্ষের সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি স্থানীয় দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে ঘটেছে। তিনি বলেন, “আমাদের কাজে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়নি। অভিযানে অন্তত ৫০০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, অভিযানের আগেই অনেকেই স্বেচ্ছায় তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন এবং এ উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ

আপডেট সময় : ০৫:৩২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সওজ কর্তৃপক্ষ মহাসড়কের দুপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির ১০-১৫ জনের একটি দল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহড়া দিচ্ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ আরেকটি দলের সংঘর্ষ বাধে। পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে শিমরাইল মোড়ে মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ হকার ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা ও মাহমুদুল হাসান।

নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ তালুকদার জানান, সংঘর্ষের সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি স্থানীয় দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে ঘটেছে। তিনি বলেন, “আমাদের কাজে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়নি। অভিযানে অন্তত ৫০০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, অভিযানের আগেই অনেকেই স্বেচ্ছায় তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন এবং এ উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।