ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন
সারাদেশ

হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে নবজাতক বিক্রির চিন্তা; অসহায় প্রসূতির পাশে হাসান মাহবুব মাস্টার


গোলাম সারওয়ার সজল :
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৭৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার সাভারের ইসলামিয়া ডিজিটাল হাসপাতালে চিকিৎসার বিল পরিশোধ করতে না পেরে চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছিলেন এক প্রসূতি। আর্থিক সংকট এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে যে, নিজের নবজাতক সন্তানকে বিক্রি করার মতো হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্তের কথাও ভাবছিলেন তিনি। এমন মর্মস্পর্শী ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানতে পারেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা শাখার রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হাসান মাহবুব মাস্টার।

খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ইসলামিয়া ডিজিটাল হাসপাতালে ছুটে যান এবং পুরো বিষয়টি খোঁজখবর নেন। পরে তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় প্রসূতির চিকিৎসা ব্যয় ও হাসপাতালের সব বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। পাশাপাশি মা ও নবজাতকের নিরাপদে বাড়ি ফেরারও ব্যবস্থা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সাভার উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর রহমান মোল্লাহ এবং জেলা প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান জীম।

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রসূতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য, এমন সংকটময় মুহূর্তে এই সহযোগিতা না পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

এ বিষয়ে হাসান মাহবুব মাস্টার বলেন, “মানবসেবা ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। একজন মায়ের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যেন কোনো পরিবার অমানবিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য না হয়, সে জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা অতীতেও মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।”

স্থানীয়দের মতে, মানবিক এই উদ্যোগ কেবল একটি পরিবারের সংকট দূর করেনি, বরং সমাজে সহমর্মিতা, মানবতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা বলেন, মানুষের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় এবং এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষকেও মানবিক কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে নবজাতক বিক্রির চিন্তা; অসহায় প্রসূতির পাশে হাসান মাহবুব মাস্টার

আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ঢাকার সাভারের ইসলামিয়া ডিজিটাল হাসপাতালে চিকিৎসার বিল পরিশোধ করতে না পেরে চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছিলেন এক প্রসূতি। আর্থিক সংকট এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে যে, নিজের নবজাতক সন্তানকে বিক্রি করার মতো হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্তের কথাও ভাবছিলেন তিনি। এমন মর্মস্পর্শী ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানতে পারেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা শাখার রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হাসান মাহবুব মাস্টার।

খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ইসলামিয়া ডিজিটাল হাসপাতালে ছুটে যান এবং পুরো বিষয়টি খোঁজখবর নেন। পরে তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় প্রসূতির চিকিৎসা ব্যয় ও হাসপাতালের সব বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। পাশাপাশি মা ও নবজাতকের নিরাপদে বাড়ি ফেরারও ব্যবস্থা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সাভার উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর রহমান মোল্লাহ এবং জেলা প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান জীম।

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রসূতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য, এমন সংকটময় মুহূর্তে এই সহযোগিতা না পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

এ বিষয়ে হাসান মাহবুব মাস্টার বলেন, “মানবসেবা ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। একজন মায়ের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যেন কোনো পরিবার অমানবিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য না হয়, সে জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা অতীতেও মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।”

স্থানীয়দের মতে, মানবিক এই উদ্যোগ কেবল একটি পরিবারের সংকট দূর করেনি, বরং সমাজে সহমর্মিতা, মানবতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা বলেন, মানুষের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় এবং এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষকেও মানবিক কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।