ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলো


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

ত্রিপুরার আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলো। এর প্রতিবাদে গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মশাল মিছিল করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। এ ছাড়া নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। ভারতীয় গণমাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধ এবং ওই দেশের নেতাদের দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও ছাত্রনেতারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানববন্ধন
বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলন করে ছয় দফা দাবি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। গতকাল সোমবার রাত ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। এতে ‘হাইকমিশনে হামলা কেন– দিল্লি তুই জবাব দে’, ‘গোলামি, না আজাদি– আজাদি আজাদি’, ‘দিল্লি, না ঢাকা– ঢাকা ঢাকা’ স্লোগান শোনা যায়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকার, তরিকুল ইসলাম ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সিনথিয়া জাহিন আয়েশা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও অ্যাক্টিভিস্ট জাহিদ আহসান বলেন, আগরতলায় হাইকমিশনে হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, ভারতের সঙ্গে খেলা হবে সমানে সমান। কোনো রাজা-প্রজার সম্পর্ক থাকবে না। শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আমরা ভারতের আধিপত্য মেনে নেব না।

জাতীয় নাগরিক কমিটির ছয় দফা
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ওপর হামলা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। এ সময় তারা ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গতকাল সন্ধ্যায় সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন বলেন, আমাদের আগরতলার যে হাইকমিশন রয়েছে, সেটি আমাদের অংশ। সেখানে হামলা করা এবং কর্মকর্তাদের ওপর নিপীড়ন করা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত।
তিনি বলেন, এ জন্য আমরা প্রতিবেশী দেশ, উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাব, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা করবেন না। যদি চর্চা করেন, হয়তো বা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ একটি বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। সে রকম একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। আমরা তাদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান করব। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর হুমকি দিচ্ছে, আমরা তাদের নিবৃত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে মাসব্যাপী ছয় দফা কর্মসূচি দেওয়া হয়। এগুলো হলো– ১. ভারতের সঙ্গে সব চুক্তি উন্মোচন করতে হবে। অসম ও পরিবেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিল করতে হবে; ২. ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বহমান নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে; ৩. দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে; ৪. গত ১৫ বছরে হিন্দু, বৌদ্ধসহ সব সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও ভূমি দখলের বিচার নিশ্চিত করতে হবে; ৫. পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য স্পষ্ট ভূমিকা নিতে হবে; ৬. অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বক্তব্য দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের মশাল মিছিল
একই ঘটনায় মশাল মিছিল করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। মিছিলে ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা’সহ একাধিক স্লোগান দেওয়া হয়।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নির্বাচনের আগে ভারত আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়েছিল। এখন তারা শেখ হাসিনাসহ তার সাথী-সঙ্গীদের জায়গা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের এখন দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে হবে। একদিকে আওয়ামী লীগের দোসরদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, ভারতের উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে। আমরা বারবার বলেছি, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেন। কিন্তু সরকার তা করেনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, নিজের চরকায় তেল দেন। আপনার দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবেন না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলো

আপডেট সময় : ০৩:২২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

ত্রিপুরার আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলো। এর প্রতিবাদে গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মশাল মিছিল করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। এ ছাড়া নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। ভারতীয় গণমাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধ এবং ওই দেশের নেতাদের দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও ছাত্রনেতারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানববন্ধন
বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলন করে ছয় দফা দাবি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। গতকাল সোমবার রাত ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। এতে ‘হাইকমিশনে হামলা কেন– দিল্লি তুই জবাব দে’, ‘গোলামি, না আজাদি– আজাদি আজাদি’, ‘দিল্লি, না ঢাকা– ঢাকা ঢাকা’ স্লোগান শোনা যায়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকার, তরিকুল ইসলাম ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সিনথিয়া জাহিন আয়েশা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও অ্যাক্টিভিস্ট জাহিদ আহসান বলেন, আগরতলায় হাইকমিশনে হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, ভারতের সঙ্গে খেলা হবে সমানে সমান। কোনো রাজা-প্রজার সম্পর্ক থাকবে না। শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আমরা ভারতের আধিপত্য মেনে নেব না।

জাতীয় নাগরিক কমিটির ছয় দফা
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ওপর হামলা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। এ সময় তারা ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গতকাল সন্ধ্যায় সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন বলেন, আমাদের আগরতলার যে হাইকমিশন রয়েছে, সেটি আমাদের অংশ। সেখানে হামলা করা এবং কর্মকর্তাদের ওপর নিপীড়ন করা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত।
তিনি বলেন, এ জন্য আমরা প্রতিবেশী দেশ, উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাব, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা করবেন না। যদি চর্চা করেন, হয়তো বা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ একটি বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। সে রকম একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। আমরা তাদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান করব। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর হুমকি দিচ্ছে, আমরা তাদের নিবৃত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে মাসব্যাপী ছয় দফা কর্মসূচি দেওয়া হয়। এগুলো হলো– ১. ভারতের সঙ্গে সব চুক্তি উন্মোচন করতে হবে। অসম ও পরিবেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিল করতে হবে; ২. ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বহমান নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে; ৩. দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে; ৪. গত ১৫ বছরে হিন্দু, বৌদ্ধসহ সব সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও ভূমি দখলের বিচার নিশ্চিত করতে হবে; ৫. পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য স্পষ্ট ভূমিকা নিতে হবে; ৬. অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বক্তব্য দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের মশাল মিছিল
একই ঘটনায় মশাল মিছিল করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। মিছিলে ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা’সহ একাধিক স্লোগান দেওয়া হয়।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নির্বাচনের আগে ভারত আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়েছিল। এখন তারা শেখ হাসিনাসহ তার সাথী-সঙ্গীদের জায়গা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের এখন দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে হবে। একদিকে আওয়ামী লীগের দোসরদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, ভারতের উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে। আমরা বারবার বলেছি, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেন। কিন্তু সরকার তা করেনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, নিজের চরকায় তেল দেন। আপনার দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবেন না।