ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

জুলাইয়ের হত্যা মামলায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন অব্যাহতি পেয়েছেন


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১০২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আসামি করা হয়েছিল শেখ বশিরউদ্দীনকে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসে। কিন্তু তদন্তে তাঁর কোনও সম্পৃক্ততা পাওয়া না যাওয়ায় আদালত তাঁকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. জামসেদ আলম মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দেন, “শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে ঘটনার কোনও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাই তাঁকে দায়মুক্ত করার অনুরোধ করছি।”

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান জানান, ২৪ নভেম্বর র‌্যাব-৩–এর উপপরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দিয়েছেন।

আকিজ বশির গ্রুপের কর্ণধার শেখ বশিরউদ্দীন গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তিন মাস পর নভেম্বর মাসে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। এরপরই জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরা থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাঁর নাম আসে।

মামলার ঘটনাটি ১৯ জুলাই গত বছর রামপুরার সিএনজি স্টেশনের সামনে ঘটেছিল। তখন মো. সোহান শাহ (৩০) গুলিবিদ্ধ হন এবং ২৮ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁর মা সুফিয়া বেগম ঢাকার আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও, শেখ বশিরউদ্দীনের নাম সেখানে ভুলক্রমে উল্লেখ করা হয়েছিল।

তদন্ত চলাকালে বাদী জানিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও পুলিশ তাঁর ছেলে হত্যার জন্য দায়ী, কিন্তু নির্দিষ্ট আসামিদের সনাক্ত করতে পারেননি। শেখ বশিরউদ্দীনও জানিয়েছিলেন, তাঁর নাম ভুলভাবে এ মামলায় যুক্ত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জুলাইয়ের হত্যা মামলায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন অব্যাহতি পেয়েছেন

আপডেট সময় : ০৮:১৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আসামি করা হয়েছিল শেখ বশিরউদ্দীনকে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসে। কিন্তু তদন্তে তাঁর কোনও সম্পৃক্ততা পাওয়া না যাওয়ায় আদালত তাঁকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. জামসেদ আলম মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দেন, “শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে ঘটনার কোনও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাই তাঁকে দায়মুক্ত করার অনুরোধ করছি।”

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান জানান, ২৪ নভেম্বর র‌্যাব-৩–এর উপপরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দিয়েছেন।

আকিজ বশির গ্রুপের কর্ণধার শেখ বশিরউদ্দীন গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তিন মাস পর নভেম্বর মাসে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। এরপরই জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরা থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাঁর নাম আসে।

মামলার ঘটনাটি ১৯ জুলাই গত বছর রামপুরার সিএনজি স্টেশনের সামনে ঘটেছিল। তখন মো. সোহান শাহ (৩০) গুলিবিদ্ধ হন এবং ২৮ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁর মা সুফিয়া বেগম ঢাকার আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও, শেখ বশিরউদ্দীনের নাম সেখানে ভুলক্রমে উল্লেখ করা হয়েছিল।

তদন্ত চলাকালে বাদী জানিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও পুলিশ তাঁর ছেলে হত্যার জন্য দায়ী, কিন্তু নির্দিষ্ট আসামিদের সনাক্ত করতে পারেননি। শেখ বশিরউদ্দীনও জানিয়েছিলেন, তাঁর নাম ভুলভাবে এ মামলায় যুক্ত হয়েছে।